মশায় অতিষ্ঠ জনজীবন

আপডেট : ০২ মার্চ ২০২১, ২২:০১

শীত মৌসুম বিদায় নিয়েছে। গরম পড়তে শুরু করেছে। সেইসঙ্গে মশার উপদ্রবও বাড়ছে। গ্রাম অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের আনাচ-কানাচ। মশার উপদ্রব বাড়ার প্রধান কারণ ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র ফেলা। মশা এক যন্ত্রণাদায়ক পতঙ্গ। মশার কারণে কোনো এক জায়গায় শান্তভাবে বসা যায় না, শোয়া যায় না। এমনকি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারে না। মশার কামড় থেকে ত্বকে সমস্যা হয়। মশার কামড়ের পরে নখ দিয়ে চুলকালে ত্বকে ঘা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। মশার কামড়  অনেক সময় মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে সব মশার কামড়ে মৃত্যু হয় না। পৃথিবীতে ৩৫০০-র বেশি প্রজাতির মশা রয়েছে। কিছু প্রজাতির মশা রয়েছে নিয়মিত মানুষের রক্ত শোষণ করে, কিছু প্রজাতি অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর রক্ত শোষণ করে। রক্ত শোষণকারী প্রজাতির মধ্যে শুধু নারী প্রজাতিই রক্ত শোষণ করে থাকে। মানুষকে যেসব মশা কামড়ায়, তাদের বৈজ্ঞানিক নাম Culiseta longiareolata।

মশার কামড়ে চিকনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুজ্বর, পীতজ্বর ইত্যাদি হতে পারে। এজন্য আমাদের সতর্ক হতে হবে। ঘুমানোর সময় মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হবে। কয়েল ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে বাচ্চাদের ব্যাপারে সবার সতর্ক হতে হবে। ঘরের মধ্যে মশার উপদ্রব কমাতে চাইলে, ঘরে হলুদ বাতি জ্বালাতে হবে। মশা হলুদ আলো থেকে দূরে থাকতে চায়। হলুদ বাতি ঘরে-বাইরে জ্বালালে মশাদের আক্রমণ থেকে অনেকটাই বাঁচা যাবে। মশাদের পছন্দের রং—লাল, নীল আর কালো। পরিশেষে বলতে চাই, মশা দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রত্যেক সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে। সেইসঙ্গে আমাদের সচেতনতার বিকল্প নেই। সচেতনতাই আমাদের মশার অত্যাচার থেকে মুক্তি দিতে পারে।

মো. আল-আমিন

বাংলা বিভাগ, ঢাকা কলেজ