উত্সব উদযাপনে, রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশে, কিংবা সরকারি-বেসরকারি ক্লাব, সমিতি, প্রতিষ্ঠানে এবং ব্যক্তিগত পরিসরে পতাকার ব্যবহারের হিড়িক পড়ে। কিন্তু সর্বত্রই দেখা যাচ্ছে এর অপব্যবহার। গাড়িতে টানানো হয় পতাকার আদলে ছোট ছোট কাপড়, রাস্তায় দেখা যায় বিভিন্ন সাইজের পতাকা, বাসা-বাড়িতে টানানো হয় যা দেখেই বোঝা যায় এদের আকৃতি সঠিক নয়, দৈর্ঘ্য-প্রস্থের মাপেও ভুল। রঙেরও ঠিক নেই। অনুষ্ঠান শেষে ফেলে রাখা হয় যত্রতত্র। অর্থাত্ পতাকার মর্যাদা প্রকৃতপক্ষে রক্ষা হচ্ছে না। জাতীয় পতাকা বিধিমালা-১৯৭২ (সংশোধিত ২০১০)-এ বলা আছে, জাতীয় পতাকা গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০:৬ ফুট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকবে। লাল বৃত্তটি পতাকার দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে। এবং লালবৃত্তটি ঠিক কোন অংশে থাকবে, সেটিও উল্লেখ করা আছে। পতাকা অপব্যবহার রোধে ‘পতাকা আইন’ রয়েছে, যা সবার জানা উচিত। ঐ আইন অমান্য করলে যথাযথ শাস্তির বিধানও রয়েছে, তবু অপব্যবহার রোধ করা যাচ্ছে না। সব নাগরিকের সচেতনতাই পারে প্রিয় জাতীয় পতাকার অপব্যবহার রোধ করতে।
নাজিউর রহমান নাসিম
শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ,
ঢাকা কলেজ
