চাটমোহর (পাবনা) সংবাদদাতা
মাঘের শেষ সময়ে লিচু গাছে মুকুল আসতে শুরু করে। তবে এবার মৌসুমের শুরুতে শীতের প্রকোপ কম থাকা এবং শেষ সময়ে শীত পড়ায় পাবনার চাটমোহরে লিচু গাছে মুকুল এসেছে দেরিতে। ফাল্গুনের শেষ ভাগে কৃষি বিভাগ জানাচ্ছে, এখনো ৩০ শতাংশ লিচুগাছে মুকুল আসা বাকি। লিচু চাষিরা এখন লিচু বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত। লিচু গ্রাম খ্যাত উপজেলার গুনাইগাছা, রামচন্দ্রপুর, মণ্ডলপাড়া, বড় শালিখা, জালেশ্বরসহ আশপাশের গ্রামের বাগানগুলো লিচুর মুকুলে ছেয়ে গেছে। এছাড়া হরিপুর, ধরইল, বোঁথর, মথুরাপুর, খয়েরবাড়িয়াসহ অন্যান্য এলাকার গাছগুলোতে লিচুর মুকুল উঁকি দিচ্ছে।
রামচন্দ্রপুর গ্রামের চাষি মাহাতাব হোসেন জানান, প্রতিটি গাছেই লিচুর মুকুল এসেছে। এ উপজেলায় চাষ হয় চায়না থ্রি, বোম্বাই, কাঁঠালি ও স্থানীয় জাতের লিচু। উপজেলার সব এলাকায় কম বেশি লিচুর চাষ হয়। লিচুচাষি নুরুল ইসলাম বলেন, ৩০টি গাছ নিয়ে একটি বাগান আছে তার। বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাপারিরা এখন বাগান কেনার জন্য আসছেন। মুকুল দেখেই তারা বাগান কিনছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুম বিল্লাহ বলেন, মুকুল ছাড়ার আগে গাছের গোড়ায় পানি দেওয়া হলে কিংবা বিষ প্রয়োগ করলে গাছ কচিপাতা ছাড়ে। মুকুল থেকে গুটি হতে শুরু করলে হপার পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে একবার বিষ প্রয়োগ করতে হয়। মুকুল দেরিতে এলেও ফলন সন্তোষজনক হবে বলে আশা করেন তিনি। চাটমোহরে প্রতি বছরই লিচুর আবাদ বাড়ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
