বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতায় টিকে থাকতে এবং সুপরিকল্পিতভাবে প্রকৃত ইতিহাস থেকে বিচ্যুত করে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছে আওয়ামী লীগ। সত্যকে চেপে রেখে দলীয় ভাবনা জাতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দায়িত্বশীল দল হিসেবে বিএনপি প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার প্রয়োজন উপলব্ধি করেছে। গতকাল ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় আরো বক্তব্য রাখেন—স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমানের খেতাবের প্রয়োজন হয় না, তিনি মানুষের হূদয়ে বসে আছেন। তাকে এত সহজে মুছে ফেলা যাবে না। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, স্বাধীনতার সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধ এক জিনিস নয়। জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমেই সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। ৭ই মার্চের ভাষণে পাকিস্তানের কাঠামোর ভেতরে থেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে ক্ষমতায় আসীন হওয়ার আভাস ছিল। তাই কোনো দলকে ছোট-বড় করার জন্য ৭ই মার্চের আলোচনা করা হচ্ছে না। প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতেই এই আলোচনাসভা।
মির্জা আব্বাস বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো পুঁজি নেই, একটাই পুঁজি ৭ই মার্চের ভাষণ। যে ভাষণে পুরো দেশ স্বাধীনতার ঘোষণা আশা করেছিল, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাষণে তা আসেনি। বঙ্গবন্ধু ও জিয়াউর রহমান, যার যার অবস্থান নির্ধারণ করবে ইতিহাস। কারো বানানো ইতিহাসে জিয়াকে ছোট আর বঙ্গবন্ধুকে বড় করা যাবে না।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা আর ৭ই মার্চের ভাষণ এক জিনিস না।
