দুদক চেয়ারম্যান ড. ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ আমাদের শক্তি দেয়, প্রেরণা দেয়। বঙ্গবন্ধু যে মুক্তির কথা বলেছেন, সেই মুক্তি পেতে হলে দুর্নীতি বন্ধ করতেই হবে।
গতকাল রবিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আলোচনাসভায় তিনি এ মন্তব্য করে। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ নিপীড়িত মানুষের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির এক অনবদ্য আহ্বান, অনুপম সাহিত্য কর্ম, গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি, রাজনীতির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনার এক সমন্বিত দলিল। এ ভাষণের প্রতিটি শব্দই তাত্পর্যপূর্ণ। একটি তর্জনী একটি দেশের স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠবে—এমনটি আমি অন্য কোনো ভাষণে দেখি নাই। এই তর্জনী আজ বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে। এটা আমাদের গর্বের।’
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, স্বাধীনতা মানে শুধু ভৌগোলিক স্বাধীনতা নয়, বরং স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য হচ্ছে—গণমানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে মুক্তির কথা বলেছেন। যুদ্ধ থেকে শান্তি, অতীত থেকে ভবিষ্যত্ সবই বলেছেন। তাই তো ৫০ বছর আগের এ ভাষণ আজ যখন বাজে, তখন আমাদের রক্তে অনুরণন ঘটে।
এ সময় দুদক চেয়ারম্যান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।
আলোচনাসভায় দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণটি ছিল অলিখিত, জাতির পিতার হূদয় থেকে উত্সারিত। দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম জাতির পিতার রাজনৈতিক জীবনের বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে বলেন, এ ভাষণকে অতীতের ঐতিহাসিক সংগ্রাম, বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনার একটি দলিল বলা যেতে পারে।
আলোচনাসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—দুদক সচিব ড. মুহা. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, দুদকের মহাপরিচালক আ ন ম আল ফিরোজ, পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা, ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আকতার হোসেন, উপপরিচালক নাজমুস সায়াদাত, মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
