‘ইরানি নারীদের সাফল্যের কারণ ইসলামি শিক্ষা’

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২১, ২১:১৩

ইরানের যেসব নারী যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, শহিদ হয়েছেন, শত্রুদের হাতে বন্দি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তারা ইসলামি বিপ্লবের গর্ব বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। সংগ্রামী নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উদ্দেশ্যে জাতীয় কংগ্রেসে পাঠানো এক বার্তায় গতকাল মঙ্গলবার এসব কথা বলেন তিনি। খবর পার্স টুডের

খামেনি বলেন, ইরানি নারীদের সামনে সংগ্রামের পথ খুলে দিয়েছে ইমানি শক্তি। তারা নানা ক্ষেত্রে সাহসিকতা, আত্মত্যাগ ও উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে বিস্ময়কর ও নজিরবিহীন অবদান রাখছেন। আর সেটা সম্ভব হচ্ছে ইসলামি শিক্ষার  কারণেই। তিনি বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গবেষণা, শিল্প-সাহিত্য, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি চিকিত্সাক্ষেত্রে, বিশেষ করে বিপজ্জনক রোগ মোকাবিলায় সাম্প্রতিক অবদান ইরানি নারীদের আধ্যাত্মিক উত্কর্ষের নিদর্শন। ইসলামি শিক্ষা এবং দেশে ইসলামি শাসনব্যবস্থার কল্যাণে এটা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, সাবেক পাহলভি রাজতন্ত্রের আমলে বহু নারীর ওপর পাশ্চাত্যের অনৈতিক সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর পরও ইরানি নারীরা নিজেদের ইসলাম প্রদত্ত মর্যাদা, অবস্থান ও পবিত্রতার কাছাকাছি নিয়ে আসতে পেরেছেন। এটা অনেক বড় অর্জন।