মশার উপদ্রব থেকে চট্টগ্রামও মুক্ত নয়

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২১, ২১:৫৭

হঠাত্ করে বেড়ে গিয়েছে মশার উপদ্রব। মনে হয় মানুষ ভুলক্রমে মশার রাজ্যে ঢুকে পড়েছে! এভাবে মশা বৃদ্ধিতে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে আতঙ্ক। মশার কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ২০১৯ সালে। সেই বছর এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু আক্রমণে ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়। এবার এডিস মশার প্রবণতা খুব বেশি লক্ষণীয় নয়। তবে কিউলেক্সসহ অন্যান্য মশার উপদ্রব বেড়েছে। মূলত ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত কিউলেক্স মশার প্রজনন মৌসুম। প্রত্যেক বছর এই সময়ে যে হারে মশার উপদ্রব বাড়ে, এ বছর তার তুলনায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব মশার আক্রমণে ফাইলেরিয়াসিস, চিকনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার কোমলমতি শিশু ও গর্ভবতী নারীরা। মশক নিধন কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। যেহেতু মশার উপদ্রব মারাত্মক আকারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মশা নানারকম ভাইরাস ছড়ায়, তাই জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষের উচিত খুব দ্রুত মশক নিধনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

ইসরাত জাহান

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম কলেজ