n ২৪ জনের দলের বাইরে অতিরিক্ত সাত জন
n এক সঙ্গে রেকর্ড সংখ্যক ৯ ফুটবলার বাদ
n নতুন মুখ পাঁচ জন
স্পোর্টস রিপোর্টার
আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের হোম ম্যাচ হবে কী হবে না, তা নিয়ে বসে না থেকে নেপালের টুর্নামেন্ট নিয়ে কাজ শুরু করেছেন জেমি ডে। নেপালে তিন জাতির টুর্নামেন্ট আছে। সেখানে খেলার প্রস্তুতি নিয়েই জাতীয় দল ঘোষণা করেছেন ইংলিশ কোচ। ২৪ জন ফুটবলার ডাকা হয়েছে। এর বাইরে অতিরিক্ত আরো সাত ফুটবলারের নাম লিখে স্ট্যান্ডবাই নাম দিয়েছেন কোচ।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলা হলেও এই তালিকায় ডাক পাওয়াদের নিয়ে খেলবেন জেমি কিংবা আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলা হলে নেপালের টুর্নামেন্টে খেলবেন ২৪ ফুটবলার। সাত ফুটবলার দলের সঙ্গে থাকবেন শুধু অনুশীলনের জন্য। ২৪ জনের তালিকায় কেউ ইনজুরি হলে সাত জনের তালিকা হতে পূরণ করা হবে। ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন সাত ফুটবলার। ২৪ ফুটবলারকে হুঁশিয়ারী দিয়ে জেমি বলেছেন, ‘পারফরম্যান্স ভালো না হলেই বাদ। অনূর্ধ্ব-২৩ দল থেকে নেওয়া হবে, খালি জায়গা পূরণ করা হবে। এবার কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে লড়াই করতে চাই।’
সর্বশেষ দোহায় কাতারের বিপক্ষে যে দলটি খেলেছিল সেখান থেকে এবার বড় পরিবর্তন হয়েছে। রেকর্ডসংখ্যক ৯ ফুটবলার একসঙ্গে বাদ পড়েছেন। দেশের ফুটবলে একসঙ্গে ৯ ফুটবলার বাদ পড়ার নজির খুব একটা নেই। এই জেমির অধীনেই জাতীয় দল যেখানেই খেলেছে এক-দুই জন বাদ পড়ত। এবার জেমি কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাদ পড়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন কাল বিকালের সংবাদ সম্মেলনে। বাফুফে ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোচ জেমি নানা প্রশ্নের জবাব দেন। জেমি বলেন, ‘ইনজুরির কারণে বাদ পড়েছেন অনেকে। আবার কেউ বাদ পড়েছেন তার পারফরম্যান্সের কারণে।’ ইনজুরির কারণে বাদ পড়েছেন আবাহনীর নাবীব নেওয়াজ জীবন, রায়হান হাসান, বসুন্ধরা কিংসের তপু বর্মন, সুশান্ত। পারফরম্যান্স ভালো না হওয়ায় বাদ পড়েছেন আবাহনীর মামুনুল ইসলাম, বসুন্ধরা কিংসের ইব্রাহিম, ইয়াসিন খান, তৌহিদুল আলম সবুজ, পুলিশের এম এস বাবলু।’ জেমি ডে বললেন, ‘যাদের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা রয়েছে তাদের ডাকা হয়েছে। যারা ধারাবাহিকতা রাখতে পারছেন না তারা বাদ পড়েছেন।’ বসুন্ধরার মাসুক মিয়া জনি ফিরেছেন।
যে দলটি ডাকা হয়েছে এটাই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন কোচ। ২৪ জনের দলে নতুন মুখ পাঁচ জন। মুক্তিযোদ্ধার ডিফেন্ডার ইমন, ডিফেন্ডার মেহেদি হাসান, ফরোয়ার্ড মেহেদি হাসান এবং ডিফেন্ডার মোহামেডানের হাবিবুর রহমান সোহাগ। মুক্তিযোদ্ধার ডিফেন্ডার মেহেদি হাসান। এদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার ডিফেন্ডার মেহেদি হাসান কখনো বয়সভিত্তিক জাতীয় দলেও খেলেননি জানিয়েছে বাফুফে। অনূর্ধ্ব-২৩ স্ট্যান্ডবাই তালিকায় আরো একজন নতুন মুখ আছেন, তিনি মোহামেডানের ডিফেন্ডার আতিকুজ্জামান।
ডাক পাওয়া ফুটবলাররা
গোলকিপার জিকো, বিশ্বনাথ ঘোষ, রিমন হোসেন, মাসুক মিয়া জনি, বিপলু আহমেদ, সুফিল, মতিন মিয়া (বসুন্ধরা কিংস)। গোলকিপার সোহেল, টুটুল হোসেন বাদশা, সোহেল রানা, সাদ উদ্দিন (আবাহনী)। রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান, ইয়াসিন আরাফাত, জামাল ভুইয়া (সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব)। ইমন, মেহেদি হাসান, মেহেদি হাসান (মুক্তিযোদ্ধা)। গোলকিপার আশরাফুল রানা, আব্দুল্লাহ (শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র)। মানিক হোসেন মোল্লা, রাকিব হোসেন (চট্টগ্রাম আবাহনী)। হাবিবুর রহমান সোহাগ (মোহামেডান)। সুমন রেজা (উত্তর বারিধারা ক্লাব)।
স্ট্যান্ডবাই অনূর্ধ্ব-২৩
গোলকিপার মিতুল মারমা (উত্তর বারিধারা ক্লাব)। আতিকুজ্জামান (মোহামেডান)। আবু শায়েদ, রহিম উদ্দিন, ইমরান হাসান রিমন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম (সাইফ স্পোর্টিং)। জুয়েল (পুলিশ)।
