গত ৭ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত ‘বিজিএমইএ নয়, ২১ ট্রাস্টির দখলে বিইউএফটি’ শীর্ষক খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মুর্শেদি। তিন পৃষ্ঠার প্রতিবাদলিপিতে তিনি বিইউএফটির কার্যক্রমের বিশদ বিবরণ দেন। প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, তৈরি পোশাক খাতে দক্ষ জনবল সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালে উত্তরায় একটি ভাড়া করা ভবনে বিজিএমইএ ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি (বিআইএফটি) চালু করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিজিএমইএ থেকে ৭ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়। পরে তা বিজিএমইএকে পুরোপুরি পরিশোধ করা হয়। এতে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নীতি অনুসারে ২০১২ সালে বিইউএফটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে উত্তরার নিশাতনগরে ছয় বিঘা জমির ওপর অবস্থান করছে। বিদেশের বিভিন্ন নামকরা ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সমঝোতা রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নিট সম্পদের পরিমাণ ৩৪১ কোটি টাকা। প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে বেসরকারি বিশ্বদ্যািলয় আইন-২০১০ অনুযায়ী। ট্রাস্টি বোর্ড কোনোভাবেই এ প্রতিষ্ঠানের মালিক নয়। প্রতিবাদলিপিতে আরো বলা হয়, বিআইএফটি বিজিএমইএর কোনো অঙ্গসংগঠন নয়, এটি একটি নিরপেক্ষ ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে আরো বলা হয়, রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে না জানিয়ে ২০১১ সালে গোপনীয়ভাবে ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের যে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে তা বিভ্রান্তিকর এবং সত্যের অপলাপ।
