জাইকার সেমিনারে বক্তারা

জাপানের উন্নয়ন মডেল অনুসরণ করতে পারে বাংলাদেশ

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২১, ০০:৩৫

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নত দেশে রূপান্তরিত হতে জাপানের উন্নয়ন মডেল হতে পারে বাংলাদেশের অগ্রগতির সবচেয়ে ভালো পথ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জাপান যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং নিজেদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে অগ্রগতির চূড়ায় নিয়ে গেছে সে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ তার নিজস্ব স্বকীয়তায় উন্নতি করতে পারে। করোনা অতিমারির সময়ে যখন পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতি স্থবির, তখন বাংলাদেশের সামনে জাপানের মতো করে ‘অর্থনৈতিক অত্যাশ্চর্য’ হওয়া সম্ভব।

গতকাল বুধবার জাইকা চেয়ার সেমিনারে অংশ নিয়ে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০ বছর পূর্তি এবং আগামী ২০২২ সালে বাংলাদেশ-জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাস এবং জাইকা বাংলাদেশ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে শিক্ষাবিদ, গবেষক, উন্নয়ন পেশাজীবী এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত বন্ধু। বিশেষ অতিথি বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো বলেন, জাপান এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নে আটকে না থেকে যৌথ উদ্যোগে গবেষণা, লব্ধ জ্ঞানের উপস্থাপন ও অংশীদারিত্ব বাড়ানো প্রয়োজন। জাইকা বাংলাদেশ দপ্তরের প্রধান প্রতিনিধি ইউহো হায়াকাওয়া এই সেমিনারকে সফল করার জন্য জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনের সভাপতিত্বে ন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব পলিসি স্টাডিজের অধ্যাপক ড. কেনিচি ওহনো, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি জাপানের অধ্যাপক ড. হিরোয়ুকি ইতামি ভার্চুয়ালি সেমিনারে অংশ নেন। এছাড়া জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ বি এম রেজাউল করিম ফকির এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন সেমিনারে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।