ঝিনাইগাতী থেকে ঢাকাগামী বাস চলাচল বন্ধ

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২১, ২১:৩১

ঝিনাইগাতী থেকে ঢাকাগামী দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ৫ মার্চ থেকে মালিক সমিতির দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিরসনে ৯ মার্চ সকাল ১১টায় শেরপুর জেলা শহরের বাগরাকসা নতুন বাসটার্মিনালস্থ শেরপুর জেলা বাস কোচ মালিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা বাস কোচ মালিক সমিতির সভাপতি ও শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ছানুয়ার হোসেন ছানু। তিনি সাংবাদিকদের জানান, শেরপুরে সড়ক পরিবহন সেক্টরে কোথাও কোনো চাঁদাবাজি নেই। সৃষ্ট জটিলতা এবং যাত্রী হয়রানি নিরসনের জন্য ঝিনাইগাতী উপজেলার বাসিন্দা ছামিউল হক দায়ী। এ ব্যাপারে জেলা বাস কোচ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী বণিক সমিতির সভাপতি মুখলেছুর রহমান খান ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ বলেন, ‘শেরপুর জেলা মালিক সমিতির সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু তাদের নেওয়া সিদ্ধান্ত একতরফা এবং এতে ঝিনাইগাতীর যাত্রীদের হয়রানি বৃদ্ধি পাবে। ঝিনাইগাতী থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে আহাম্মদনগর থেকে গাড়ি চলাচলের কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। ’

রোড পারমিটের বিষয়ে ঝিনাইগাতীর বাস মালিক ছামিউল হক সাদা মিয়া বলেন, ‘সব গাড়ির রোড পারমিট রয়েছে মহাখালী পর্যন্ত। কিন্তু একাধিক গাড়ি আশুলিয়ায় চলাচল করলেও শুধু শাহ ফকিরের গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া অন্যায্য এবং এর প্রতিবাদে সবাই নিজ উদ্যোগে সাময়িকভাবে গাড়ি চলাচল বন্ধ রেখেছেন। আমরা বিষয়টির একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধানে শেরপুর জেলা, ময়মনসিংহ বিভাগ এবং কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে লিখিত আবেদন করেছি। গতকাল ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে চিঠি পেয়েছি। দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা করে সমঝোতার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করি দুই-এক দিনের মধ্যেই সমঝোতায় আসবে।’