মো. আমিরুজ্জামান, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
আগামী তিন বছরে লোকবল একুশ শতাংশে নেমে আসবে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। এ অবস্থায় দেশে রেল চলাচল স্বাভাবিক রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারখানার সূত্র মতে, বর্তমানে ২ হাজার ৮৩৩ জন জনবল মঞ্জুরি রয়েছে। কিন্তু কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৮৪০ জন শ্রমিক-কর্মচারী। ঘাটতি রয়েছে ৭০ শতাংশ জনবলের। এদিকে রেলওয়ে কারখানার শাসন বিভাগ সূত্র জানায়, আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ এ কারখানা থেকে ২৩১ জন শ্রমিক-কর্মচারী অবসরে যাবেন। এর মধ্যে নতুন নিয়োগ না হলে কারখানাটিতে লোকবল দাঁড়াবে মাত্র ৬০০ জন। মাত্র ২১ শতাংশ শ্রমিক দিয়ে বিশাল এই কারখানার উত্পাদন স্বাভাবিক রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ফলে সারা দেশে রেল চলাচল ঝুঁকিতে পড়তে পারে। রেলওয়ে কারখানার কার্য ব্যবস্থাপক (ডাব্লিউএম) শেখ হাসানুজ্জামানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কারখানায় জনবল সংকট সত্ত্বেও উত্পাদন স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের উত্সাহ দেওয়া হচ্ছে।’
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মো. জয়দুল ইসলাম জানান, এত বিশাল কর্মযজ্ঞ সামাল দিতে কিছু অস্থায়ী শ্রমিক (টিএলআর) ও নিয়মিত শ্রমিকদের অতিরিক্ত কাজ (ওভারটাইম) করিয়ে উত্পাদন স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে। তবে জনবল সংকটের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে তিনি স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা ৬০০ শিক্ষানবিশ (ট্রেড অ্যাপেন্টাইস) ও ২৯১ জন খালাশি শূন্য পদের বিপরীতে লোক নিয়োগ দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র দিয়েছি।’ শিগিগরই সংকট কেটে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
