কাতার ম্যাচের প্রস্তুতি হচ্ছে নেপালের টুর্নামেন্ট

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২১, ২২:২৮

স্পোর্টস রিপোর্টার

কাতার বিশ্বকাপ কাপ বাছাইয়ের খেলা জুনে চলে গেছে। তাই এখন নেপালের টুর্নামেন্ট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যস্ততা বেশি। নেপালে খেলতে ১৮ মার্চ ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে। গতকাল থেকে জাতীয় দলের প্লেয়াররা রিপোর্ট করতে শুরু করেছেন পল্টনের একটি হোটেলে। ২৪ জন নিয়ে নেপালে যাবেন জাতীয় দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে। কাল রাতে ২২ জন ফুটবলার রিপোর্ট করেছেন। তারা করোনা টেস্ট করিয়ে এসেছেন। তার পরও বাফুফের উদ্যোগে পুনরায় টেস্ট করিয়ে নেপালে যাবেন ফুটবলাররা।

আজ প্রথম দিনে খেলোয়াড়দের জন্য মাঠের অনুশীলন রাখা হয়নি। আগামীকাল হতে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরু হবে। আজ খেলোয়াড়রা হোটেলে থাকবেন। ক্যাম্প করবেন, সেখানে জিমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের নিয়ে মিটিং হবে, সেখানে প্রথমেই শৃঙ্খলা, কোভিডের সময় সাবধানতা অবলম্বন, নিয়মকানুন মেনে চলা, যখন-তখন হোটেল রুমের বাইরে না যাওয়া, রাত জাগা যাবে না, পূর্ণ শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে।

বিশেষ করে যারা নতুন এসেছেন তাদের প্রতি আরো কঠোর বার্তা দিয়ে রাখা হয়েছে। পাঁচ ফুটবলার এবার জাতীয় দলে ঢুকেছেন। তাদের নিয়ে কোচ জেমির ভাবনা অনেক। নতুনরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছেন। সিনিয়র অনেক ফুটবলার ক্যাম্পেই ডাক পাননি। তাদের অনুপস্থিতিতে নতুনদের জায়গা করে নেওয়াটা কঠিন। জেমি ডে বলেছেন, ‘নতুনরা নেপালের মাঠে নিজেকে তুলে ধরবেন। সেখানেই প্রমাণ হবে তারা জাতীয় দলের জার্সি গায়ে টিকে থাকার জন্য কতটা প্রস্তুত। প্রস্তুতিটা দেখতে চাওয়ার কারণও আছে, জুনে কাতারের বিশ্বকাপ ফুটবলে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের অবশিষ্ট ম্যাচ তিনটির জন্য দল গঠন করতে চান জেমি। প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালী হোক না কেন, জেমি চাইছেন সবচেয়ে শক্তশালী একটা দল নিয়ে কাতারে লড়াই করবেন তিনি। চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন নতুনদের। ইমন, মেহেদী হাসান, রিমন হোসেন, সোহাগদের জন্য পরীক্ষার খাতা দিয়ে রেখেছেন জেমি। এবার পারফরম্যান্সের বিচার হবে।

জেমি ঢাকায় ম্যাচ দেখেছেন, ঢাকার বাইরেও ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন। আগে কখনো এমনটি করেননি তিনি। তার পরও খেলোয়াড় সিলেকশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের কর্তা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু। তিনি কাল বাফুফে ভবনে কয়েক জন সাংবাদিককে দেখে অভিমান করে বলছিলেন, ‘লিগের প্রথম পর্বে শেখ জামাল পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে। একটা ম্যাচও হারেনি শেখ জামাল। আমার কথা হচ্ছে—এই দলে কি শুধু বিদেশি ফুটবলার খেলেছে। দেশি ফুটবলার খেলেনি? এক জন ফুটবলারও জাতীয় দলে ডাক পেল না। কেন।’