উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা

যারা সমালোচনা করেছে তাদের জন্য বাংলাদেশ এখন উদাহরণ

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২১, ০০:৩৫

বাংলাদেশকে নিয়ে যারা এক সময় সমালোচনা করেছে তাদের জন্য এখন বাংলাদেশ একটি উদাহরণ। অনেক দেশই বাংলাদেশকে নিয়ে গর্ব করছে। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আয়োজিত ওয়েবিনারে বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন। ‘উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ: প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিশাল অর্জন’ শীর্ষক ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজ চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। আলোচক ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপ উপাচার্য ড. শেখ মামুন খালেদ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের উপদেষ্টা মোহাম্মদ এ আরাফাত।

এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, এলডিসি থেকে উত্তোরণের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। এখন দরকার পরিকল্পনা নিয়ে সময়াবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে কার্যকর বাস্তবায়নে নিজেদের সক্ষম করে তোলা। তিনি বলেন, নিজেদের সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং উত্পাদন খরচ কমিয়ে আনা জরুরি। ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাংলাদেশকে আরো উদার নীতি গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে সমস্যা হবে। ড. মোস্তাফিজুর রহমান এলডিসি থেকে উত্তরণের বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরেন। তবে এই উত্তরণের অভিঘাতগুলোর সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। ড. শেখ মামুন খালেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী দিন বদলের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সেটা তিনি করতে পেরেছেন। ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, যে বাংলাদেশ এক সময় পরিচিত ছিল বন্যাকবলিত, দারিদ্রপীড়িত দেশ হিসেবে, সেই দেশই এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল; অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশ্বের বিস্ময়। এটা কেবলই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী এবং জাদুকরি নেতৃত্বের কারণে।