স্পোর্টস রিপোর্টার
বছরের শেষ দিকে ভারতের মাটিতে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ খেলবে বাংলাদেশ দল। তার আগে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধেও ক্রিকেটের ক্ষুদে সংস্করণে খেলবে টাইগাররা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নামার আগে ঘরোয়া ক্রিকেটেই টি-২০ ফরম্যাটের ভালো অনুশীলন সারতে পারবেন ক্রিকেটাররা।
সময়ের স্বল্পতা, জাতীয় দলের ব্যস্ততা মিলে চলতি বছর ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ টি-২০ ফরম্যাটেই হবে।
মূলত টাইগারদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস)। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের ১২ ক্লাবের সঙ্গে মিটিংয়ের পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সিসিডিএমের চেয়ারম্যান কাজী ইনাম। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের যে সময়টা আছে তা খুব কম দিনের, আমরা একটা ফরম্যাট টি-২০’ই এখানে শুধু জায়গা দিতে পারব। কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপ যেহেতু আসছে, এটা জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য খুব ভালো হবে। এবং কিছু ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দিবে যারা কখনোই টি-২০ খেলার সুযোগ পায় না।’
গত বছর করোনার কারণে স্থগিত হওয়া লিগই (২০১৯-২০২০ মৌসুম) আগামী ৬ মে শুরু হবে। তবে চিরাচরিত ওয়ানডে ফরম্যাটে হবে না লিগ। গত বছর হওয়া একটি ম্যাচকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। লিগ হবে দুই ভাগে। প্রথম ভাগ মাঠে গড়াবে ৬-১১ মে, দ্বিতীয় ভাগ হবে ৩১ মে থেকে ১৪ জুন। মাঝের বিরতিটা পড়বে ঈদ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হোম সিরিজের জন্য।
ক্রিকেটাররা থাকবেন আগের ক্লাবেই। তবে তাদের পারিশ্রমিক ২০ থেকে ৩০ ভাগ কমে যেতে পারে। যদিও এ ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এছাড়া এই লিগ শেষেই ২০২০-২১ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে ভাববে বিসিবি। সিসিডিএম সূত্রে জানা গেছে, আগামী অক্টোবরে আবার মাঠে গড়াতে পারে প্রিমিয়ার লিগ।
সিসিডিএম চেয়ারম্যান গতকাল বলেছেন, ‘আমাদের এই লিগটাকে যেটা করছি এটাকে টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে করতে হবে। এবং গত বছর যে একটা ম্যাচ হয়েছিল, সেই একটা ম্যাচ আমরা পরিত্যক্ত করে দিচ্ছি। কিন্তু গত বছর যেহেতু সব প্লেয়ার চুক্তিবদ্ধ ছিল, সব টিমের সঙ্গে। সে সকল প্লেয়ার সে দলেই খেলবে।’ লিগ শুরুর আগেই ক্রিকেটাররা করোনার টিকা পেয়ে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন কাজী ইনাম। রাউন্ড রবীন লিগের পর সুপার লিগ, রেলিগেশন লিগ হবে। প্রাথমিকভাবে তিনটি ভেন্যুতে খেলা আয়োজনের চিন্তা করেছে সিসিডিএম। মিরপুর স্টেডিয়ামের সঙ্গে বিকেএসপির দুটি মাঠ। টি-২০ ফরম্যাট বলেই প্রতিটি মাঠে দুটি করে তিন ভেন্যুতে দিনে ছয়টি ম্যাচ হবে।
