পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন

বিজেপির দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকায় চার এমপি ছয় অভিনেতা-অভিনেত্রী

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০২১, ০০:২৭

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য দ্বিতীয় দফায় ৬৩ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। গতকাল রবিবার দিল্লি থেকে ঘোষিত তালিকায় রয়েছেন চার এমপি। আছেন টালিউডের ছয় অভিনেতা-অভিনেত্রী। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া তিন এমএলএকেও প্রার্থী করা হয়েছে। তবে মমতা ব্যানার্জির সাবেক ঘনিষ্ঠ নেতা এবং কলকাতা পৌরসভার সাবেক মেয়র, সাবেক মন্ত্রী শোভন চ্যাটার্জিকে প্রার্থী করা হয়নি। ক্ষোভে তিনি ও তার বান্ধবী বৈশাখী ব্যানার্জি বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করেছেন। যাকে নিয়ে জোর জল্পনা, সেই মিঠুন চক্রবর্তী প্রার্থী হচ্ছেন না। বিজেপি সূত্রে খবর, মিঠুন ভোটে লড়তে উত্সাহী নন। তবে বিজেপির হয়ে তিনি প্রচার চালাবেন। প্রসঙ্গত, মিঠুন পশ্চিমবঙ্গের ভোটার নন। ভোটার না হলে তিনি পশ্চিমবঙ্গে প্রার্থী হতে পারেন না।

গতকাল রবিবার পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুর ও খড়গপুরে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে রোড শো করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার রাজ্যে থাকাকালীনই প্রার্থীর তালিকা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় গতকাল রবিবার বিক্ষোভ হয়। তৃণণূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপিতে যোগ্য প্রার্থীর অভাব রয়েছে। তাই এমপিদের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করতে হচ্ছে।

তৃতীয় ও  চতুর্থ দফার নির্বাচনের জন্য বিজেপির ঘোষিত প্রার্থীর তালিকায় র‌য়েছেন ভারতের ভারী শিল্প দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী গায়ক বাবুল সুপ্রিয়। তিনি লড়বেন কলকাতার টালিগঞ্জ আসন থেকে। তার বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, এই আসনে মমতা ব্যানার্জিও লড়তে পারেন। তাই বাবুল সুপ্রিয়কে ঐ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হলো। হুগলির চুঁচূড়ায় প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী এমপি লকেট চ্যাটার্জি। কলকাতার বেহালা পূর্বে অভিনেত্রী পায়েল সরকার এবং হাওড়ার শ্যামপুরে তনুশ্রী চক্রবর্তীকে প্রার্থী করা হয়েছে। যশ দাশগুপ্ত প্রার্থী হয়েছেন হুগলির চণ্ডিতলা কেন্দ্রে। সোনারপুর দক্ষিণে অঞ্জনা বসু।

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জি তার পুরোনো কেন্দ্রেই প্রার্থী হয়েছেন। সাংবাদিক ও রাজ্যসভার এমপি স্বপন দাশগুপ্তকে প্রার্থী করা হয়েছে হুগলির তারকেশ্বর কেন্দ্রে। শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে তৃণমূল এবার প্রার্থী করেনি। দল বদলে তিনি এবার একই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী। প্রতিবাদে স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে তালা মেরে দেন বিজেপির সমর্থকেরা। তাতে আটকা পড়েন মধ্যপ্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী।‌