জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহ। বুধবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
এরপর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন। পরে জাদুঘরে রাখা দর্শনার্থীদের বইয়ে স্বাক্ষর করেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি। এ সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল পৌনে ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি। এদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় পৌঁছান তিনি।
এ সময় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের নেতৃত্বে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
President @ibusolih and First Lady visits the Bangabandhu Memorial Museum
— The President's Office (@presidencymv) March 17, 2021
Bangabandhu Memorial Museum was the home of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman now marked as a memorial celebrating his lifelong struggles and accomplishments. pic.twitter.com/R4KYk4LB5z
মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির সম্মানে ২১ বার তোপধ্বনি দেওয়া হয়। বিমানবন্দরে দুই দেশের রাষ্ট্রপতি কুশল বিনিময় করেন।
পরে দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজিয়ে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতিকে। এ সময় তিনি গার্ড পরিদর্শন করেন। এরপর সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে বিমানবন্দর ত্যাগ করে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর।
সাভার থেকে ফিরে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য রওনা দেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি। বিকেলে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন ইব্রাহিম মোহমেদ সলিহ। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও থাকবেন ওই অনুষ্ঠানে। আলোচনাপর্ব শেষে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রী ও অন্য পদস্থ কর্মকর্তারা এসেছেন।
ইত্তেফাক/এএএম
