রাজধানী জুড়ে কড়া নিরাপত্তা

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২১, ২২:১১

গন্তব্যে সময় নিয়ে বের হওয়ার অনুরোধ ডিএমপির

বিশেষ প্রতিনিধি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানমালা আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এদিকে মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানমালায় বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করছেন। তাদের যাতায়াতের সময় রাস্তায় যান চলাচলে চাপের সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সাময়িক সমস্যার উদ্ভব ঘটতে পারে। যানজট বিবেচনায় সম্মানিত নগরবাসীকে নিজ নিজ গন্তব্যস্থল ও বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগে বের হওয়ার জন্য ডিএমপির পক্ষ হতে অনুরোধ করা হয়েছে।

গতকাল নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে দেখা যায়, হোটেল সোনারগাঁওয়ের আশপাশে (কাওরান বাজার, বাংলামোটর, মগবাজার, পান্থপথ), বিমানবন্দর, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর, শিখা চিরন্তন ও জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ড এলাকার আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তত্পর রয়েছেন। এসব এলাকার বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট ও টহলের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন কোনো কিছু মনে হলে নেওয়া হচ্ছে তল্লাশি।

এছাড়া জলে-স্থলে এবং আকাশপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে এলিট ফোর্স র্যাব। র্যাব সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম ও প্রতিটি ব্যাটালিয়নের কন্ট্রোল রুম থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের হুমকি নেই। যে কোনো ঘটনা ঘটলে তা মোকাবিলা করার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

একই দিন রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, প্রতিটি ভেন্যু নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে। আগামী ১০ দিন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জনগণের চলাচল সীমিত রাখার জন্য তিনি নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান। এ সময় রাজধানীতে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, মিটিং ইত্যাদি আয়োজন না করার জন্যও তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানান।