নাচে, গান, আলোচনা আর আনন্দায়োজনে শিল্পীরা বঙ্গবন্ধুকে মূর্ত করে তোলে নান্দনিকতায়। আর আলোকচিত্রের প্রদর্শনী ও নাটকের মঞ্চায়নে উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধুর জীবন-সংগ্রামের নানা অধ্যায় ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। গতকাল এভাবেই নানা বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
জাতীয় জাদুঘর : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্লেষণ ও দিকনির্দেশনা’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে জাতীয় জাদুঘর। জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরেফীন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এ মালেক। সভাপতিত্ব করেন জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একক গান পরিবেশন করেন জাদুঘরের ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা কালীপদ শীল।
মাতৃভূমি সাংস্কৃতিক সংসদ : বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মাতৃভূমি সাংস্কৃতিক সংসদের আয়োজনে রাজধানীর শাহবাগ চত্বরে চলছে ‘মুজিব মানেই স্বাধীনতা’ শিরোনামের ১০ দিনের সাংস্কৃতিক উত্সব। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উত্সবপ্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নাচ, গান, আবৃত্তি ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন : স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের আয়োজনে নাটকসরণীখ্যাত রাজধানীর বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনে শুরু হয়েছে ১০ দিনের নাট্য উত্সব। মুক্তিযুদ্ধের ১০টি নাটক দিয়ে সাজানো হয়েছে এই উত্সব। গতকাল উদ্বোধনী সন্ধ্যায় মঞ্চায়ন হয় থিয়েটার আর্ট ইউনিটের নাটক ‘কোর্ট মার্শাল’।
