রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়াতে মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ এবং বিমান ও নৌপথ সংযোগ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহর সৌজন্য সাক্ষাত্কালে তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ উভয় দেশের জন্য পর্যটনকে একটি অত্যন্ত উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে অভিহিত করে রাষ্ট্রপতি বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের দুটি রাষ্ট্রের বিদ্যমান সম্ভাবনা কাজে লাগাতে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।
মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চিকিত্সা ও প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশকে বেছে নেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আরো বেশি শিক্ষার্থীর শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে।’ মালদ্বীপকে বাংলাদেশ থেকে মেডিসিন, রেডিমেড গার্মেন্টস (আরএমজি), সিরামিকসহ আন্তর্জাতিক মানের বাংলাদেশি পণ্য আমদানির আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এতে উভয় দেশই লাভবান হবে।
প্রেসিডেন্ট সলিহ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিমান ও জলযোগাযোগ স্থাপনের বিষয়ে একমত পোষণ করে বলেন, এটি ভবিষ্যতে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
পরে নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রাশিদা খানম এবং মালদ্বীপের ফার্স্টলেডি ফাজনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. এ কে আবদুল মোমেন, মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ শহিদ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও তার সহধর্মিণী রাশিদা খানম বঙ্গভবনে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্টলেডি ফাজনা আহমেদকে স্বাগত জানান।
মালদ্বীপের ফার্স্টলেডি ফাজনা আহমেদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী রাশিদা খানমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন।
