আমাদের লেখায় প্রচলিত ভুল

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২১, ২০:০১

মো. রহমত উল্লাহ

 

অর্থাত্ বিদেশী শব্দে, দেশের নামে, জাতির নামে ও ভাষার নামে ঈ-কার লেখা যাবে না। জটিল ব্যাকরণ নয়, এই সাধারণ নিয়ম মনে রাখলেই আমরা ই-কার প্রযোজ্য অনেক শব্দের বানান শুদ্ধ করে লিখতে পারি। কয়েকটি উদাহরণ দেখা যাক।

বিদেশী শব্দ:শহিদ, ফেব্রুয়ারি, খ্রিস্টাব্দ, এজেন্সি, ফার্মেসি , প্রাইমারি, সার্জারি, স্ট্রবেরি, মেশিনারি, স্যানিটারি, স্টিল, ব্যাটারি, সেলারি, বেকারি, পাউরুটি, শুমারি, সরকারি, মশারি, বিরিয়ানি, খানদানি, আলমারি, বাদশাহি, কাহিনি, চামেলি, লাক্সারি, কোম্পানি, ইস্পাহানি, টিউশনি, ভান্ডারি, গরিব, দামি, দরকারি, তরকারি, কারিগরি, বালতি, বেশি, খুশি, দামি, কালি, তৈরি, চেরি, মেরি, বাড়ি, টমি, লাকি, বাকি, হাতি ইত্যাদি।

দেশের নাম: গ্রিস, গ্রিক, ইতালি, জার্মানি, তিব্বত, কাশ্মির, আর্মেনিয়া, বেলজিয়াম, আফগানিস্তান ইত্যাদি।

জাতির নাম: বাঙালি, বর্মি, বিহারি, জাপানি, ইরানি, তুরানি, ইহুদি, নেপালি, পাঞ্জাবি, কাশ্মিরি, আফগানি, ফরাশি, মারাঠি, মাদ্রাজি, মার্কিন, গ্রিক ইত্যাদি।

ভাষার নাম: আরবি, ফার্সি, হিন্দি, ইংরেজি, চিনা, জাপানি, ইউক্রেনি, তিব্বতি, সাঁওতালি, সিলেটি ইত্যাদি।

এ ধরনের শব্দে কোন ব্যাকরণ প্রয়োগ করে ঈ-কার ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। সকল দ্বিধা-দ্বন্দ্ব বাদ দিয়ে নিশ্চিন্তে ই-কার ব্যবহার করাই সঠিক। এতে ঈ-কারযুক্ত শব্দের সংখ্যা কমবে এবং সেই সাথে আমাদের ই-কার ও ঈ-কার ব্যবহারের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও কমবে। ভবিষ্যতে বিদেশী সংস্কৃতি ও পণ্যের সাথে আরও যে সকল বিদেশী শব্দ এসে আমাদের বাংলা ভাষায় যুক্ত হবে, সেগুলোতেও প্রয়োজনে আমরা সবাই নিশ্চিন্তে ই-কার প্রয়োগ করতে পারব।