মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে গতকাল শুক্রবার আরো ৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। অংবান শহরে নিরাপত্তা বাহিনী অভ্যুত্থান বিরোধীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস ছোড়ে। এরপর বিক্ষোভকারীদের একটি ব্যারিকেড সরিয়ে দিতে তারা গুলি চালায়। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তাতে বাধা দেয়। তখন তারা গুলি ছোড়ে।’
বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিরা জানান, আট জন ঘটনাস্থলে মারা যান। এক জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। ইয়াঙ্গুনের স্থানীয়রা জানান, পুলিশ সাধারণ জনগণকে বিক্ষোভকারীদের ব্যারিকেড সরাতে বাধ্য করেছে। এছাড়া মান্দালয়, মিয়ানগ্যান, কাথা ও মিয়াওয়াডিতেও অভ্যুত্থান বিরোধীরা শুক্রবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। মিয়ানমারের জান্তা সরকারের মুখপাত্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির নির্বাচিত সরকারকে উত্খাত করে ক্ষমতা দখল করে। অভ্যুত্থানের পর এনএলডির নেতা অং সান সুচি ও মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টসহ সরকারের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী-এমপিদের আটক করে সেনা সরকার। অভ্যুত্থানের পরপরই মিয়ানমারের সাধারণ জনতা রাজপথে বিক্ষোভ শুরু করে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার জনগণ কাজে ইস্তফা দিয়ে প্রতিদিন বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে।
থাই সীমান্তে ছুটছে নাগরিকরা : সেনা অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের বিভিন্ন শহর এবং উপশহর থেকে শত শত নাগরিক পালিয়ে প্রতিবেশি দেশ থাইল্যান্ড সীমান্তের দিকে ছুটছেন। সীমান্ত এলাকায় জাতিগত সশস্ত্র গ্রুপগুলোর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছেন তারা। এ ধরনের একটি গ্রুপের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শরণার্থী ঢলের আশঙ্কায় প্রস্তুতি শুরু করেছে থাইল্যান্ড। সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমারে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিয়মিতভাবেই জান্তাবিরোধী
