হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
ুসুপ্রিয় বন্ধুরা, তোমরা প্রথমে প্রতিটি অধ্যায় ভালোভাবে পড়ে নিবে।
শিখনফল:জীব ও জড় আলোচনায় আমরা যা শিখতে পারবো।
জীব বেঁচে থাকার জন্য কীভাবে জড় পদার্থের উপর নির্ভরশীল তা বর্ণনা করতে পারবে।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য ভৌত পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের (যেমন— মাটি, বায়ু, পানি) গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল কী তা বলতে পারবে।
খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে সৌরশক্তি কীভাবে সঞ্চারিত হয় তা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
তথ্যকণিকা :
পরিবেশের উপাদানগুলোকে আমরা জীব ও জড় এই দুই ভাগে ভাগ করি।
মানুষের শ্বাস গ্রহণের জন্য বায়ু এবং পান করার জন্য পানি প্রয়োজনীয়। পুষ্টির জন্য খাবার প্রয়োজন।
সকল প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য বায়ু, পানি ও খাদ্য প্রয়োজন।
পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য উদ্ভিদ বিভিন্ন জড়বস্তুর উপর নির্ভর করে। যেমন- সূর্যের আলো, মাটি, পানি, বায়ু ইত্যাদি।
উদ্ভিদ সূর্যের আলো, পানি ও বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে।
কোনো স্থানের সকল জীব ও জড় এবং তাদের মধ্যকার পারস্পরিক ক্রিয়াই হলো ওই স্থানের বাস্তুসংস্থান।
উদ্ভিদের ত্যাগ করা অক্সিজেন প্রাণী শ্বাস গ্রহণের সময় ব্যবহার করে।
উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ যেমন- কাণ্ড, শাখা ও ফলমূল প্রাণী খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
উদ্ভিদ তার খাদ্য তৈরি, বৃদ্ধি, পরাগায়ন ও বীজের বিস্তরণের জন্য প্রাণীর উপর নির্ভরশীল।
উদ্ভিদ খাদ্য তৈরির জন্য প্রাণীর ত্যাগ করা কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করে।
পরাগায়নের ফলে উদ্ভিদের বীজ সৃষ্টি হয়।
বিভিন্ন প্রাণী যেমন— পাখি, মৌমাছি ইত্যাদি পরাগায়নে সাহায্য করে। মাতৃউদ্ভিদ থেকে বিভিন্ন স্থানে বীজের ছড়িয়ে পড়াই হলো বীজের বিস্তরণ।
বীজের বিস্তার নতুন নতুন উদ্ভিদ আবাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
সকল প্রাণীই শক্তির জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল। বাস্তুসংস্থানে উদ্ভিদ থেকে প্রাণীতে শক্তি প্রবাহের এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়াই হলো খাদ্য শৃঙ্খল।সবুজ উদ্ভিদ থেকেই প্রতিটি খাদ্যশৃঙ্খলের শুরু। বাস্তুসংস্থানের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী কোনো না কোনো খাদ্যশৃঙ্খলের অন্তর্ভুক্ত। একাধিক খাদ্যশৃঙ্খল একত্রিত হয়ে খাদ্যজাল তৈরি করে।
