স্পোর্টস রিপোর্টার
আগামী চার বছরে জাতীয় ফুটবল দলকে অন্যরকম মোড়কে দেখা যাবে। এখন থেকেই এমন প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। জাতীয় দলকে আরো শক্তিশালী করতে চান তিনি। যেভাবে জাতীয় দলটা চলে আসছিল তাতে তিনি অসন্তুষ্টই মনে হলো। তার কণ্ঠে জাতীয় দল নিয়ে খুব একটা স্বস্তিদায়ক কথা শোনা গেল না। জাতীয় দলটায় এবার একটা নাড়া পড়েছে। বেশ কিছু নতুন ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন দলে। একটা সময় ঘুরে ফিরে একই মুখ দেখা যেত। সেটি সম্ভবত শেষ হতে চলেছে। নতুন যারা ডাক পাবেন তারা চ্যালেঞ্জ নিয়ে টিকে থাকবেন। এবার পাঁচ ফুটবলার ডাক পেয়েছেন। আর তাতে ভালো কিছুর আশা করছেন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের পরিচালক সালেহ জামান সেলিম। এই কর্মকর্তা বলছিলেন, ‘এখন যেভাবে খেলোয়াড় উঠে আসছে তাতে আগামীতে প্রচুর খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে। জাতীয় দলে বাছাই করার জন্য খুব একটা কঠিন কাজ হবে না।’
সেলিমের কণ্ঠের কথা কেড়ে নিয়ে কাজী সালাহউদ্দিন বলছিলেন শুধু ভালো হলেই হবে না। মাঠে রেজাল্ট দিতে হবে। দেশের মানুষ রেজাল্ট চায়।
কাজী সালাহউদ্দিনের আক্ষেপ আছে জাতীয় দল নিয়ে। তিনি স্রোতের বিপরীতে অনেক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছেন। কিন্তু প্রত্যাশিত ফল পাচ্ছেন না। সালাহউদ্দিন বলছিলেন আমি এখন ট্রফি চাই। খেলোয়াড়দের বলেছি আমাকে সাফল্য দিতে হবে না। তোমরা নিজেদের স্বার্থে খেল। ভালো খেলতে পারলে নতুনরা উঠে আসবে। দেশ ভালো কিছু পাবে।’
করোনাকালে অনেক লড়াই করে প্রিমিয়ার লিগটাকে মাঠে নামিয়েছিলেন বাফুফে সভাপতি। অনেক ক্লাবই বিরুদ্ধে ছিল। আর্থিক সংকট এবং করোনা পরিস্থিতির কারণে লিগ শুরু না করার পক্ষে অনেক ক্লাব থাকলেও বাফুফে সভাপতি বলেছিলেন পাঁচটা দল নিয়ে হলেও লিগ শুরু করবেন তিনি। সালেহ জামান সেলিমও সে কথা মনে করিয়ে দিলেন। কথা আবার চলে গেল সালাহউদ্দিনের কণ্ঠে। এখন থেকে জাতীয় দলের সব খেলা দেখবেন তিনি। নেপালে যাচ্ছেন সালাহউদ্দিন। জাতীয় দলের খেলা দেখে মানটাও বিচার করা যায়। সালাহউদ্দিন বললেন, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে টেকনিক্যাল সমস্যা রয়েছে। ছোট ছোট সমস্যাগুলো সমাধান করলে এই দলটা আরো ভালো খেলবে। তার আগে লিগের খেলা দেখার প্রয়োজনটাও অনুভব করেন তিনি। সালাহউদ্দিন বললেন, ‘আমি লিগের সব দলের খেলা দেখিনি। বসুন্ধরা, আবাহনী, সাইফের খেলা দেখেছি টিভিতে। অন্য খেলাও দেখি, সেটা কম।’
