বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘হিন্দুদের সম্পদ বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের লোকজনের দখলে আছে। সুনামগঞ্জের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর যে হামলা হয়েছে তা নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ অবলীলায় মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছেন। কিন্তু এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের দলেরই এক নেতা। যুবলীগের স্থানীয় সভাপতি। তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অথচ কোনো কিছু ঘটলেই দোষ দেয় বিএনপিকে।’ গতকাল শনিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া-মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য দেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শ্যামা ওবায়েদ প্রমুখ
মির্জা ফখরুল বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা বিএনপিকে দোষারোপ করছে। এই সরকার বিএনপিকে ভয় পায়। বিএনপিকে নিয়ে দুঃস্বপ্ন দেখে। যখন সরকার প্রশাসনিকভাবে ব্যর্থ, জনগণকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে ঠিক রাখতে ব্যর্থ , ঠিক তখনই তারা এসব ঘটনা ঘটায় এবং বিএনপিকে দায়ী করার চেষ্টা করে। এ দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সবসময় বিনষ্ট হয়েছে আওয়ামী লীগের আমলে।
তিনি বলেন, আপনারা একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন—হতাশাই শেষ কথা নয়। হতাশার পরে নিশ্চয়ই নতুন সূর্যোদয় হবে। আমাদের অবশ্যই সেই সময় আসবে, যখন আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারব।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশে যত অপকর্ম হয় সব এই আওয়ামী লীগের লোকেরা করে। নারী ধর্ষণ, জমি লুট, এখন বর্জ্য ব্যবসাও নাকি আওয়ামী লীগের নেতারা করে।
