ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গ্রামাঞ্চলে অনেক দিন পর সংখ্যালঘুদের বাড়িতে চরমপন্থি দলের পরিচয়ে চাঁদাবাজির খবর পাওয়া গেছে। এতে করে ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।
একসময় ঝিনাইদহ জেলায় চরমপন্থি দলগুলোর ব্যাপক তত্পরতা ছিল। চরমপন্থি দমনে পুলিশ র্যাবের ব্যাপক অভিযানে তাদের তত্পরতা থেমে যায়। পুলিশ র্যাবের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে চরমপন্থি দলগুলো কয়েকশ নেতা ক্যাডার নিহত হয়। এছাড়াও চরমপন্থি দলগুলোর মধ্যে হানাহানিতেও অনেক নেতা ক্যাডার মারা যায়। এরপর এলাকায় চরমপন্থি তত্পরতা থেমে যায়। মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। এলাকার মানুষ নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানায়, ইদানীং আবাইপুর ও নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নে একটি গ্রুপ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
কুমড়েদহ গ্রামের সঞ্জীব বিশ্বাস ওরফে কালা জানান, গত মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) রাতে ছয়-সাত জনের একটি দল তার বাড়িতে ঢুকে পার্টির লোক পরিচয়ে তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যায়। একই রাতে বাঘিনী গ্রামের অপূর্ব মণ্ডলের বাড়িতে পার্টির লোক পরিচয়ে একদল লোক ঢুকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যায়। এ ঘটনার পর পরিবার দুটি আতঙ্কের মধ্যে আছে বলে অপূর্ব মণ্ডলের বাবা ভবেন মণ্ডল জানান।
ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মনতাসিরুল ইসলাম বলেন, কোনো অবস্থায় চরমপন্থি ও সন্ত্রাসী গ্রুপের মাথা তুলতে দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।
