আগামীর বাংলাদেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ও তৃণমূল পর্যায়ে মানুষকে সঠিক সময়ে যথাযথ সেবা দিতে বেসরকারি সংস্থাগুলোর জোটবদ্ধ থাকার কোনো বিকল্প নেই। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কাজের সমন্বয় থাকতে হবে। ব্র্যাকের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আয়োজিত আলোচনাসভায় বক্তারা একথা বলেন।
ব্র্যাক গতকাল রবিবার ‘বাংলাদেশ ও ব্র্যাক : উন্নয়নে সহযাত্রী’ শীর্ষক এই অনলাইন আলোচনাসভার আয়োজন করে। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বাংলাদেশের চেয়ারপারসন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, সংসদ সদস্য ও প্রিপ ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক অ্যারোমা দত্ত, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক এবং তত্ত্বাবধাক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী এবং গবেষক ও সাংবাদিক আফসান চৌধুরী।
১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্র্যাক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, ক্ষুদ্রঋণ, নারী উন্নয়ন, মানবাধিকার ও আইনি সহায়তা, কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা, সড়ক নিরাপত্তা, নগর উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবিলা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন, অতিদরিদ্র কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের বিস্তার ঘটিয়েছে। অনলাইন আলোচনায় টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করে তাদের ক্ষমতায়নে ব্র্যাকের বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানান অ্যারোমা দত্ত এমপি। অপরদিকে বাংলাদেশের সার্বজনীন শিক্ষা অর্জনে ব্র্যাকের ভূমিকা ও ভবিষ্যত্ গতিপথ বিষয়ে রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ব্র্যাক আর বাংলাদেশ, তার সঙ্গে আবেদ ভাই যেন মিলেমিশে একাকার। আফসান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে পশ্চিমা ধারণাগুলো ছেড়ে দেশের মানুষের চাহিদা বিবেচনায় রেখে কর্মকৌশল ঠিক করছে ব্র্যাক। অন্যদিকে ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ব্র্যাকের সবচেয়ে বড় অবদান বাংলাদেশে এনজিওর কাজকে সুসংহত করে তৃণমূল মানুষদের আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ওঠায় উজ্জীবিত করা।
