আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও ক্ষমতা ছাড়বে না মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। প্রতিদিনই নিরাপত্তা বাহিনী গণতন্ত্রীপন্থি বিক্ষোভকারীদের গুলি করে হত্যা করছে। আবার বিক্ষোভে অংশ নিয়ে মরার ভয় থাকলেও বেসামরিক প্রশাসনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে চায় গণতন্ত্রীপন্থিরা। এদিকে দেশটিতে ফের বড় ধরনের বিক্ষোভ করেছেন চিকিত্সকরা। খবর রয়টার্সের
মিয়ানমারে সহিংসতার বিষয়ে সেনাবাহিনীর ওপর অব্যাহত চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে পশ্চিমাবিশ্ব। একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে এশীয় দেশগুলো সাধারণত একে অপরের সমালোচনা করা থেকে বিরত রয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার ইস্যুতে তারা আবার জেগে উঠেছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো দ্রুত মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তিনি আসিয়ানের জরুরি বৈঠকের দাবি করেছেন যে সংস্থার সদস্য মিয়ানমার। তার এই মতকে সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভে গুলি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনও। কিন্তু এসব চাপকে তোয়াক্কা করছে না ক্ষমতাসীন সেনাবাহিনী। তারা বিক্ষোভে গুলি চালানো অব্যাহত রেখেছে।
২৫০-এর বেশি গণতন্ত্রীপন্থি বিক্ষোভে গুলিতে নিহত হয়েছে। প্রতিদিনই বিক্ষোভে গুলির ঘটনা ঘটছে। অনেকের মতে, পাখির মতো গুলি করে মারছে নিরাপত্তা বাহিনী। ঘর থেকে ধরে নিয়ে কারাগারে ঢোকানো হচ্ছে। কিন্তু এত মৃত্যুর আতঙ্ক থাকলেও রাস্তা ছাড়তে রাজি নয় বিক্ষোভকারীরা। গতকাল রবিবারও দেশটির অন্তত ২০টি শহরে বিক্ষোভ হয়েছে। প্রধান শহর ইয়াংগুন থেকে শুরু করে ছোট ছোট শহরগুলোতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল মনবায়াতে পুলিশের গুলিতে এক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে অনেকে। মান্দালয়ে হাজার হাজার চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা রাস্তায় নেমেছেন আবার। খুব ভোরে তারা সাদা কোর্ট পরেই রাস্তায় নামেন।
