স্পোর্টস রিপোর্টার
গত রোববার রাতেই ক্যারিবিয়ান থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে বিমানে চড়েছেন আন্দ্রে রাসেল ও সুনিল নারিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ ছাড়ার ছোট্ট ভিডিও পোস্ট করেছেন তারা। ক্যারিবিয়ান থেকে আকাশ পথে কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন আইপিএলের দল কেকেআরে (কলকাতা নাইট রাইডার্স) রাসেল-নারিনের সতীর্থ সাকিব আল হাসান। দুই উইন্ডিজ ক্রিকেটারের মতো সাকিবও ফ্লাইট ধরেছেন। রাসেলদের মতো কলকাতা না গিয়ে সাকিব ফিরেছেন বাংলাদেশে। গতকাল রাত ২টায় ঢাকায় পৌঁছে যাওয়ার কথা বাঁহাতি এ অলরাউন্ডারের।
দেশে তাকে ঘিরে চলমান আলোচনা-সমালোচনার অগ্নিগর্ভের মধ্যেই ফিরলেন সাকিব। তবে এই মুহূর্তে বিসিবি সাকিবকে দেশে তলব করেনি। আইপিএলে খেলতে কদিন পরই ভারতে যাওয়ার কথা তার। এজন্যই দেশে তার ফেরা। গতকাল জানা গেছে, ভারতে যাওয়ার আগে অবশ্য ঢাকায় কিছুদিন অনুশীলন, ব্যক্তিগতভাবে প্রস্তুতি নিতে চান সাকিব।
যদিও তার আইপিএলে খেলাটা এখন অনিশ্চয়তার দোলাচালে দুলছে। সম্প্রতি এক ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে বিসিবি, বিসিবির পরিচালকদের নিয়ে তীর্যক মন্তব্য করেছেন সাকিব। তারপরই আলোচনার ঝড় চলছে দেশ জুড়ে। তার আইপিএল খেলার ছাড়পত্রের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার ইঙ্গিত দিয়েছে বিসিবি। দ্রুতই বোর্ড সভার মাধ্যমে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে গত রোববার রাতে জানিয়েছিলেন ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান।
এদিকে গণমাধ্যমের হাতে চলে এসেছে বাংলাদেশের টেস্ট বাদ দিয়ে আইপিএল খেলতে ছুটি চেয়ে বিসিবিকে পাঠানো সাকিবের সেই চিঠি। যেখানে টেস্ট খেলতে চান না এমনটা উল্লেখ করেননি তিনি। তবে টি-২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আইপিএলে খেলতে ছুটি চেয়েছেন। এবং চিঠিতে স্পষ্ট তিনি অবগত ছিলেন যে, ঐ সময়ে বাংলাদেশ দল শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছে। তারপরও ছুটি চেয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ লঙ্কায় টেস্টই খেলবে তা-ও সবার জানা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাকিবকে ১ এপ্রিল থেকে ১৮ মে পর্যন্ত ছুটি দিয়েছিল বিসিবি। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে সেই ছুটি বাতিলও হতে পারে।
