সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মাণ করা হলো ডকু-ড্রামা ‘দুইটি যুদ্ধের একটি গল্প’। ফাহমিদুর রহমান রচনায়, ফুয়াদ চৌধুরীর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় সাক্ষাৎকার এবং ঘটনার নাটকীয় দৃশ্যায়নের মাধ্যমে ডকু-ড্রামাটি নির্মিত হয়েছে।
ডকু-ড্রামাটিতে মহি আলম চৌধুরীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াদ রায়হান, মারজান চৌধুরীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন অহনা মিথুন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মির্জা শাখেছেপ শাকিব, সাইদুর রহমান পাভেল, জয়শ্রী মজুমদার লতা ও চট্টগ্রামের নান্দিমুখ থিয়েটারের একদল নাট্যকর্মী।
শহীদ সার্জেন্ট মহি আলম একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৭১ সালের ১৭ নভেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর বোর্ড অফিস রাজাকার ক্যাম্পে অপারেশনের সময় রহস্যজনকভাবে শহীদ হন। তিনি ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বরিশালের ঐতিহ্যবাহী উলানিয়া চৌধুরী পরিবারে। এ পরিবারেই জন্মগ্রহণ করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী, কবি আসাদ চৌধুরী এবং আতিকুল হক চৌধুরী। সহযোদ্ধা ছাড়া, পরিবারের সদস্যদের কাছেও একটা সময় পর্যন্ত অজানা ছিল, শহীদ মহি আলম চৌধুরীর বীরত্বগাঁথা তার শহীদ হবার ঘটনা। এমনকি অজানা ছিল কবরের স্থানটিও। ভুলতে বসা জাতির এই সূর্যসন্তানের- এই সকল তথ্য ও তার কবরের সন্ধান একক প্রচেষ্টায় খুঁজে বের করেন শহীদ মহিআলম চৌধুরীর ভাতিজি মারজান বেগম। পারিবারিক একটি ছবির সূত্র ধরে মারজান বেগম নতুন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন এবং একক প্রচেষ্টায় মহি আলম চৌধুরীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি আদায় করেন।

শহীদ মহি আলম চৌধুরীর মহান আত্মত্যাগকে মূল উপজীব্য রেখে, মারজান বেগমকে চৌধুরী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি আদায় করতে গিয়ে যে আরেক যুদ্ধ করতে হয়েছে, সেটাই এই প্রামাণ্যচিত্রে প্রতিপাদ্য।
দীপ্ত টিভিতে আগামী ২৬ মার্চ রাত ১১টায় প্রচারিত হবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ডকু-ড্রামা ‘দুইটি যুদ্ধের একটি গল্প’। এটির এ্যাসোসিয়েট প্রোডিউসার রওশন জাহান নূপুর ।
ইত্তেফাক/বিএএফ
