‘চীন তাইওয়ানের জন্য হুমকিস্বরূপ’

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২১, ১৬:১৪

প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বাহিনীর নির্বাচিত অ্যাডমিরাল জন অ্যাকিলিনো মঙ্গলবার( ২৩ মার্চ) বলেছেন, তাইওয়ানকে সামরিকভাবে পরাভূত করার জন্য অস্ত্র ভাণ্ডার বাড়ানো সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে চীন। যা আগামী ছয় বছরের মধ্যে আরও বড় আকার নিতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

তাইওয়ানের দাবি, গত সপ্তাহের শেষের দিকে চীনের কয়েকটি যুদ্ধ ও বোমারু বিমান দেশটির দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষা জোনে ঢুকে পড়ে। এরপর বেইজিংকে তাইওয়ানের ওপর চাপ বন্ধ করতে আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

চলতি মাসের শুরুর দিকে একটি শুনানিতে বলা হয়েছিল যে চীন তাইওয়ানকে নিজেদের আওতাধীন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। এবং আগামী ছয় বছরের মধ্যে জোর করে বেইজিং তার পরবর্তী সার্বভৌম অঞ্চল হিসাবে দাবি করতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

চীন মনে করে তাইওয়ানের গণতান্ত্রিক-ভাবে নির্বাচিত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন বারবার বলছেন যে তাইওয়ান ইতিমধ্যে একটি ‘স্বাধীন দেশ’ এবং এর আনুষ্ঠানিক নাম ‘দ্য রিপাবলিক অব চায়না’।

তাইওয়ানের সীমানার কাছে চীনের বিমানবাহিনীর সাম্প্রতিক মহড়া প্রসঙ্গে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র উ কিয়ান এক মাসিক সংবাদ বিফ্রিংয়ে বলেছেন, তাইওয়ান হচ্ছে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি আরও বলেছেন, তাইওয়ান প্রণালিতে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও চীনের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি বলেই সেখানে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির এসব কর্মকাণ্ড।

সংবাদমাধ্যমগুলো বুধবার জানিয়েছে, সোমবার সকালে তাইওয়ানের আকাশে ঢুকে পড়েছিল চীনা বিমানবাহিনীর দুটি চেংদু জে-১০ যুদ্ধবিমান। সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টা টহল শুরু করে তাইওয়ানের বিমানবাহিনী। এ নিয়ে এ মাসে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২ বার চীনা যুদ্ধবিমান তাইপে’র আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করল। ফলে রীতিমতো যুদ্ধের হাওয়া বইছে অঞ্চলটিতে।

ইত্তেফাক/এএইচপি