গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কুড়িয়ে পাওয়া মর্টার শেল কাটতে গিয়ে এ ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এ কথা জানান। তিনি বলেন, এই মর্টার শেলটি ১৯৭১ সাল অথবা এর আগের। পরিত্যক্ত অবস্থায় এটি মাটির নিচে ছিল। মর্টার শেলের একটি অংশ বৃহস্পতিবার সকালে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার সঙ্গে জঙ্গি বা নাশকতার সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। যদিও শুরুতে একটি মহল এ ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছে। গতকাল রাজধানীতে র্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ এ কথা জানান। খবর আমাদের বিশেষ প্রতিনিধি ও গাইবান্ধা প্রতিনিধির।
এদিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের মেকুরাই নয়াপাড়া গ্রামের বিস্ফোরণে তিন জন নিহত হবার ঘটনায় ঢাকা থেকে আসা ১১ সদস্যবিশিষ্ট বোমা বিশেষজ্ঞ দল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ঐ বাড়িতে তদন্ত কাজ শুরু করে। দুপুর ১২টায় তা শেষ হয়। পরে দলটির সদস্যরা আলামত সংগ্রহ করে ঢাকায় ফিরে যান। বুধবারের ঘটনার পর থেকে নয়াপাড়া গ্রামে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, এই বিস্ফোরণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত বগুড়ার মোকামতলা এলাকার হাবিবুর রহমান (৫২) গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঐ বাড়ির ৪ মহিলাকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে থানায় মামলার প্রক্রিয়া এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
