ভারতীয় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক এআর রহমান। তার গানে মেতেছে পুরো বিশ্ব। গানের সুর করে জিতে নিয়েছেন অস্কার পুরস্কার। এবার ‘মুজিব চিরন্তন’ মঞ্চে বাজলো এআর রাহমানের বাংলা গান। ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে হিন্দি ভাষার এই গানটি লিখেছেন বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী গীতিকবি জুলফিকার রাসেল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল সন্ধ্যায় জাতীয় ‘প্যারেড গ্রাউন্ড’ তার এই গান উপস্থাপন করা হয়। এই গানটি উপস্থানের সময় অনুষ্ঠান উপভোগ করেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
জুলফিকার রাসেল বলেন, ‘প্যারেড গ্রাউন্ডে গানটি বাজার সময়ের অনুভূতি মুখে বলে বা লিখে প্রকাশ করার সামর্থ্য আমার নেই। কীভাবে এতকিছু হয়ে গেল, টেরই পাইনি। এতো বড় উৎসবের শেষ দিনের আয়োজনে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে অতিথি হয়ে এলেন ভারতের নরেন্দ্র মোদি। সেই অনুষ্ঠানের প্রধান চমক হিসেবে নতুন গান বাজলো এ আর রহমানের কণ্ঠ-সুরে! সেই গানটি আমার লেখা, এটুকু ভাবলে এখনও নিজের গায়ে চিমটি কাটি। ভ্রম বলে মনে হয়।’

এআর রহমানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জুলফিকার রাসেল জানান আরেকটি চমকিত তথ্য। একটি নয়, তার কথায় এ আর রহমান আরও একটি গান তৈরি করে রেখেছেন। সেটিও দেশাত্মবোধক এবং অপ্রকাশিত সেই গানটি বাংলা ভাষায়! ‘আজও শুনি বজ্রধ্বনি’ শিরোনামের এই গানটিও ঘটাকরে উন্মোচন হবে বিশেষ একটি জাতীয় আয়োজনে, এই মুজিববর্ষে।
এ আর রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জুলফিকার রাসেল বলেন, ‘তিনি যেমন বিশ্বমানের কম্পোজার, তেমনই বিনয়ী একজন মানুষ। উনাকে দেখে শিখলাম, বড় হতে চাইলে কতোটা বিনয়ী হতে হয়।’
বাংলাদেশের জন্য এ আর রহমানের তৈরি এটাই প্রথম কোনও গান।
এখানেই শেষ নয় জুলফিকার রাসেলের গীতিকবিতার চমক। একই উৎসবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর থিম সঙ লিখেছেন তিনি। সাজিদ সরকারের সুর-সংগীতে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন বিভিন্ন প্রজন্মের ৫০ জন শিল্পী। এই গানটিও শেষ দিনের মঞ্চে পরিবেশন করা হয় দুই প্রধানমন্ত্রীর সামনে।
ইত্তেফাক/বিএএফ
