মুন্সীগঞ্জে সালিশ বৈঠকে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১০

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২১, ০০:২৪

মুন্সীগঞ্জ শহরের উত্তর ইসলামপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এক কিশোরীকে ইভটিজিং করার ঘটনায় সালিশ বৈঠকে এক পক্ষের লোকজনের উপর্যুপরি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সংঘর্ষের সময় উপস্থিত ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত সৌরভ, অভি ও সিহাবকে এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার উসকানি ও মারামারিতে জড়িত জামাল, নাসরিন, জাহাঙ্গীর, রনি, ইমরান, রাহুলসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

২৪ মার্চ বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তিন যুবক নিহত হয়। নিহতরা হলেন—সদর থানাধীন উত্তর ইসলামপুরের কাসেম পাঠানের পুত্র ইমন পাঠান (২৩), বাচ্চু মিয়ার পুত্র সাকিব মিয়া (১৯) ও সদ্যসমাপ্ত পৌর নির্বাচনের পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী আওলাদ হোসেন মিন্টু (৪০)। পুলিশ ও স্থানীয়রা আরো জানায়, ইভটিজিং নিয়ে একে অপরকে দায়ী করে ইমন পাঠান একই এলাকার সৌরভকে চড়-থাপ্পড় মারে। পরে ইমন পাঠান গ্রুপের বড় ভাই মিন্টু পুনরায় সৌরভকে ডেকে নিয়ে মারধর করে। বুধবার রাত ৯টার দিকে উক্ত ঘটনায় ইসলামপুরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে এই নিয়ে সালিশ বৈঠকে আপস-নিষ্পত্তিতে বসে রাত সাড়ে ১১টায় আওলাদ হোসেন মিন্টুর বাড়ির সামনে জামালের দোকানের প্রাঙ্গণে বৈঠকটি হয় । বেঠকের শেষ পর্যায়ে সৌরভ গ্রুপের লোকজন আকস্মিকভাবে ইমন, সাকিব ও মিন্টু তিন জনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সদর থানার ওসি মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, তিন জনকে হত্যার ঘটনায় নিহত মিন্টুর স্ত্রী খালেদা আক্তার বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১০/১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।