‘রিট্রিট সিরিমনিতে আত্মীয়দের দেখে আপ্লুত স্বজনরা

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২১, ০০:৩৩

দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন প্যারেডের জন্য। দর্শকসারিতে নারী পুরুষের ভিড়। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিজিবি-বিএসএফ ‘রিট্রিট সিরিমনি’ অনু?ষ্ঠান উপভোগ করতে এসেছেন পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাগদার গৃহবধূ মনজিস্টা সিকদার। স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে অনুষ্ঠানে এসে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। জানালেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। আমার পূর্বপুরুষরা বাংলাদেশে থাকেন। বাংলাদেশ থেকে আসা আত্মীয়স্বজনদের দেখে মন ভরে গেছে।’ এরকম অনুভূতি জানালেন বনগাঁও থেকে আসা পিয়ালী সরকার, অঞ্জলি রায়, সঞ্চিতা চক্রবর্তী, নমিতা রায়সহ অর্ধশত ভারতীয়। গতকাল শুক্রবার বিকাল সোয়া ৫টায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বেনাপোল-পেট্রাপোল, আখাউড়া-আগরতলা ও বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ী আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে (আইসিপি) উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-বিএসএফ কর্তৃক জমকালো যৌথ ‘রিট্রিট সিরিমনি’ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের সীমান্তরক্ষীরা প্যারেডের মাধ্যমে উভয় দেশের পতাকা নামান। যৌথ প্যারেড ছিল আকর্ষণীয়। প্যারেড দেখার জন্য দুই দেশের সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোল-পেট্রাপোলে অনুষ্ঠিত রিট্রিট সিরিমনিতে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া, বিএসএফের ১৫৮ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট অরুন কুমার, ১৭৯ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট সুনীল কুমারসহ বিজিবি-বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। বনগাঁও থেকে আসা কলেজপড়ুয়া বিথী রাণী জানালেন, অভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতির কারণে বাংলাদেশকে ভালোলাগে। সুযোগ পেলে বাংলা মুভিও দেখেন। বাংলাদেশে ছিল তার পূর্বপুরুষরা। তাই বিজিবি-বিএসএফের ‘রিট্রিট সিরিমনি’ উপভোগ করতে এসেছেন এই তরুণী, সঙ্গে এসেছেন মা ও বড় বোন।