ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি দর্শনের অভিজ্ঞতা আমি আজীবন মনে রাখব। এই অত্যন্ত পবিত্র স্থানটি মহান মতুয়া সম্প্রদায়ের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।’
শনিবার (২৭ মার্চ) ওড়াকান্দি দর্শন নিয়ে এক টুইট বার্তায় মোদি একথা জানান। ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়িতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্যে মোদি বলেন, ‘ভারতের হাজার হাজার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ ওড়াকান্দি এসে যেমন অনুভব করে আমিও ঠিক তেমন অনুভব করছি। এই পবিত্র দিনের অপেক্ষা আমার বহু দিনের। ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি যখন বাংলাদেশে আসি তখনই আমি এখানে আসার ইচ্ছে পোষণ করেছিলাম। আমার সেই প্রত্যাশা ও কামনা আজ পূর্ণ হলো। আমি নিয়মিতভাবে শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের অনুগামীদের থেকে ভালোবাসা ও স্নেহ পেয়েছি।’
Blessed moments from Orakandi. pic.twitter.com/BYbP97adNF
— Narendra Modi (@narendramodi) March 27, 2021
মোদি বলেন, ‘গতকাল ঢাকায় জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানের সময় আমি বাংলাদেশে সৌর্য, ক্ষমতা ও সংস্কৃতির অপূর্ব প্রদর্শন দেখি। যা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আজ যেভাবে বাংলাদেশ-ভারতের সরকার দুই দেশের স্বাভাবিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করছে সাংস্কৃতিকভাবে এই কাজই ঠাকুরবাড়ি ও শ্রী শ্রী হরিচাঁদ জি বহু দশক থেকে করে আসছে। এই স্থান বাংলাদেশ-ভারতের আত্মিক সম্পর্কের তীর্থক্ষেত্র। আমাদের সম্পর্ক মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক। মনের সঙ্গে মনের সম্পর্ক।’
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি সংলগ্ন মাঠের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। এ সময় তাকে উলুধ্বনি, শঙ্খ ও ডঙ্কা-কাঁসা বাজিয়ে বরণ করে নেন ঠাকুর বাড়ির মতুয়ারা। সেখানে তিনি পূজা-অর্চনা করবেন। পরে তিনি ঠাকুরবাড়ির সদস্য ও ৩ শতাধিক মতুয়া নেতার সঙ্গে মতবিনিময় করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি দর্শনের অভিজ্ঞতা আমি আজীবন মনে রাখব।
— Narendra Modi (@narendramodi) March 27, 2021
এই অত্যন্ত পবিত্র স্থানটি মহান মতুয়া সম্প্রদায়ের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। pic.twitter.com/I4vtPw7UQ6
এর আগে নরেন্দ্র মোদি টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছালে সেখানে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সমাধি পরিদর্শনের পাশাপাশি সেখানে একটি বকুল ফুলের গাছ রোপণ করেন মোদি।
ইত্তেফাক/এসআই
