১৫ বছর ধরে চাঁদপুরের পোস্টাল কোডে চলছে কুমিল্ল¬ার ডাক বিভাগ

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২১, ২১:৩০

কুমিল্ল­ার মনোহরগঞ্জ উপজেলা প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পরেও ডাক বিভাগের ভাগ্যে এখনো জোটেনি একটি নিজস্ব পোস্টাল কোড। চাঁদপুর জেলার পোস্ট কোডে চলছে কুমিল্ল­ার এই উপজেলার ডাক বিভাগের কার্যক্রম। এছাড়া মনোহরগঞ্জে এখনো কার্যক্রম শুরু হয়নি উপজেলা পোস্ট অফিসের। ফলে একটি শাখা অফিস থেকেই নামমাত্র পরিচালিত হচ্ছে এ উপজেলার ডাক বিভাগের কার্যক্রম। এদিকে গত প্রায় ৭ বছর আগে উপজেলা সদরে ডাক বিভাগ একটি ভবন নির্মাণ করলেও এখনো কোনো জনবল নিয়োগ দেয়নি। শাখা অফিসের মাত্র তিনজন পিয়ন ও পোস্টাল বিলিকারক দিয়েই চলছে এ উপজেলার লক্ষ মানুষের সেবা। এতে সঠিক সেবা না পেয়ে ভোগান্তির কারণে ডাক বিভাগ থেকে সাধারণ মানুষ বিমুখ হওয়ায় সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্বও।

জানা গেছে, ২০০৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জেলার লাকসাম উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করে মনোহরগঞ্জ উপজেলা। এ উপজেলার মধ্যে ১৬টি ডাকঘর রয়েছে। বিকেন্দ্রীকরণের নামে উপজেলা সদরের মনোহরগঞ্জ বাজার, নরহরিপুর বাজার, হাসনাবাদ বাজার, বাইশগাঁও বাজার, দাদঘর বাজার, নোয়াগাঁও, পোমগাঁও বাজার, কাশিপুর বাজার ও আমতলী বাজার নামে নয়টি ডাকঘর গত ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তির চিতোষী সাব-পোস্ট অফিসের অধীনে রয়েছে। যার পোস্ট কোড নম্বর ৩৬২৩। অন্যদিকে উপজেলার লাল চাঁদপুর, ইকবালনগর, লক্ষ্মণপুর বাজার, নাথেরপেটুয়া বাজার, বিপুলাসার বাজার ও ভোগই নামে সাত ডাকঘর লাকসাম উপজেলার অধীনে রয়েছে। যার পোস্ট কোড নম্বর ৩৫৭০। উপজেলার ১৬ ডাকঘরের কার্যক্রম চাঁদপুর জেলা ও লাকসাম ডাক বিভাগের নিয়ন্ত্রণে থাকায় এ উপজেলার জরুরি চিঠিপত্র, ব্যাংক ড্রাফটসহ সরকারি-বেসরকারি ডাকবিলি-বণ্টনে গ্রাহকের কাছে পৌঁছতে অনেক সময় ৭/১০ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যায়। আবার অনেক চাকরিপ্রার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাত পৌঁছে সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর।

পরিশেষে, উল্লিখিত সমস্যা সমাধানকল্পে জেলা উন্নয়ন সভায় বিষয়টি তুলে ধরার পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশা করি।

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন

কুমিল্ল­া