স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উদ্যাপনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এ হামলা

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২১, ২২:১৭

হেফাজত ইস্যুতে ওয়ার্কার্স পার্টি

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো এক বিবৃতিতে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, তথাকথিত স্থিতিশীলতার নামে হেফাজতকে পক্ষে রাখতে তাদের সঙ্গে ক্ষমতাসীন সরকার ও দলের সমঝোতা ও একের পর এক ছাড় দেওয়ার পরিণাম এটি। ওয়ার্কার্স পার্টি বহু আগেই বলেছে যে, সাপের মুখে চুমু খেলেও সাপ ছোবল মারবেই। এই কৌশল যে কত বৃথা বাংলাদেশ পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাবলি সেটির প্রমাণ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওয়াজ মাহফিল ও ইউটিউবে হেফাজত ও তার অনুসারীরা একের পর এক ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ালেও, ধর্মীয় উসকানি দিয়ে চললেও তার বিরুদ্ধে বহু অপপ্রয়োগের ব্যাপারে আলোচিত-সমালোচিত ডিজিটাল আইনও প্রয়োগের কোনো প্রয়োজন বোধ করছে না সরকার। সাম্প্রদায়িকতা-মৌলবাদী এ ধরনের চক্রান্তকে রুখে দাঁড়াতে সব বাম, গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, এটা স্পষ্ট যে, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উদ্যাপনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই পরিকল্পিতভাবে ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার হুমকি, শাল্লার হিন্দুগ্রামে সাম্প্রদায়িক হামলা এবং সবশেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুষ্ঠানমালায় যোগদানের বিরোধিতার নামে একের পর এক এসব ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে তারা।