জীবন মানেই সংগ্রাম। আর মানুষ এই সংগ্রাম চালিয়ে যায় ভালোভাবে বাঁচার জন্য। জীবনের সঙ্গে এমনই এক যুদ্ধ করে চলছেন মুন্সিগঞ্জের সংগ্রামী নারী বেবী আক্তার।
বাবা-মা, স্বামী-সংসার নিয়ে সময় ভালোই যাচ্ছিল তার। তবে বেশ কয়েক বছর আগে সংসার ভেঙ্গে যাবার পর একমাত্র সন্তান দীন ইসলামকে নিয়ে পড়েন বিপাকে। আর তাই দেড় বছর আগে সংসার চালানোর জন্য নিজেই হাতে তুলে নেন রিকশা।
মিরপুর ১১ ও ১২ নাম্বার এলাকায় সবাই বেবী নামেই চিনেন। বেবীর অভিযোগ নারী রিকশা চালক হওয়ায় ঠিকমত ভাড়া পান না তিনি। যার কারণে সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে তার। এমনই এক কষ্টের কথা সংবাদমাধ্যমে বলার পর স্বপ্ন’র নজরে আসে বেবী। স্বপ্নের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বেবীকে স্বপ্নের মিরপুর এগারোর আউটলেটে হোম ডেলেভারি কাজে নিযুক্ত করেন।
কাজের সুযোগ পাবার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বেবী আক্তার বলেন, আমি সত্যিই আনন্দিত। কারণ রিক্সা জমার টাকা দেবার পর আমার হাতে ১৫০-২০০ টাকার বেশি থাকতো না। আমার ছেলেটা ক্লাস ফাইভে পড়াশোনা করছে। সারা দিন-রাত পরিশ্রম করেও সংসার ভালোভাবে চলত না। স্বপ্ন আমাকে উপযুক্ত একটা পারিশ্রমিকের ব্যবস্থা করে দিল। স্বপ্ন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এসময় স্বপ্ন’র বিজনেস ডিরেক্টর সোহেল তানভির খান, মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান শাহ মো. রিজভী রনী, মিডিয়া অ্যান্ড পিআর ম্যানেজার কামরুজ্জামান মিলু উপস্থিত ছিলেন।
