রায়পুরায় সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২১, ২২:৩১

নরসিংদীর রায়পুরায় হেফাজতে ইসলাম ও বিএনপি, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় হামলাকারীদের ইটপাটকেলের আঘাতে শহিদুল ইসলাম (৪০) নামে একজন পুলিশ কনস্টেবল গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ তিন জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হচ্ছে, দৌলতকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামের সোহেল (২৫), বেগমাবাদ কাচারিকান্দি গ্রামের সোহরাব (১৯) ও বেগমাবাদ থানাকান্দি গ্রামের মুরাদ মিয়া (২১)।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ  মোদি বাংলাদেশের আসার বিরোধিতার অংশ হিসেবে ২৮ মার্চ উপজেলার দৌলতকান্দী রেলওয়ে স্টেশনে স্থানীয় হেফাজতে ইসলাম ও জামায়াত-বিএনপির লোকজন অবস্থান নেয়। পরের দিন তাদের আন্দোলন ঠেকাতে একই স্থানে অবস্থান নেয় স্থানীয় সরকারদলীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় দৌলতকান্দী স্টেশন জামে মসজিদের ইমাম মাও. মোবারক হোসেনকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী মারধর করে। এ ঘটনায় বুধবার বিকালে স্থানীয় বেগমাবাদ মাদরাসা মাঠে আওয়ামী লীগ ও হেফাজতে ইসলাম-জামায়াত-বিএনপির নেতাদের আপস বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। আপস বৈঠকে বিএনপি, জামায়াত-শিবিরের শত শত লোকজন জড়ো হলেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উপস্থিতি না থাকায় মাদরাসা মাঠে জড়ো হওয়া শত শত লোক প্রথমে সাপমারা বাজারে অবস্থিত মুছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনের দোকানে হামলা চালায়। পরে মহেশপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ আহমেদের বাড়ি, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি মোহাম্মদ আলীর বাড়ি, তাঁতী লীগ সভাপতি আবদুল হাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়। রায়পুরা থানার ওসি (তদন্ত) লুত্ফুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।