বেআইনি সমাবেশ করার দায়ে হংকংয়ে সাত জন গণতন্ত্রপন্থি নেতাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তাদের মধ্যে মিডিয়া টাইকুন জিমি লাইও আছেন। এছাড়া তালিকায় হংকংয়ে ‘ফাদার অফ ডেমোক্রেসি’ বলে পরিচিত ৮২ বছরের ব্যারিস্টার মার্টিন লি, ব্যারিস্টার মার্গারেট এবং অধিকার রক্ষা কর্মী লি ইয়ান, লিউং হাং, সিড হোর নামও আছে। আরো দুই গণতন্ত্রপন্থি নেতা আগেই নিজেদের দোষ স্বীকার করেছিলেন। খবর ডয়চেভেলের
রায়ের পর ৬৪ বছর বয়সি লি ইয়ান বলেছেন, আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। ২০১৯ সালের ১৮ আগস্ট গণতন্ত্রপন্থিরা বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করেছিলেন। প্রায় ১৭ লাখ মানুষ সেই প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিলেন। কিছু আইন বিশেষজ্ঞের মতে, মার্টিন লির এক থেকে দেড় বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। মিডিয়া টাইকুন জিমি লাইকে গত বছর আগস্টে গ্রেফতার করা হয়। তার অ্যাপল ডেইলি ট্যাবলয়েডের অফিসে প্রায় ২০০ পুলিশ যায়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছেন। সম্প্রতি হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালু হয়েছে। ২০২০ সালের জুনে হংকংয়ের আইনসভার চীনপন্থি সদস্যরা এই আইন পাস করেন। অভিযোগ আছে, যাবতীয় বিরোধিতা বন্ধ করার জন্য এই আইন চালু করা হয়েছে। জিমি লাইয়ের বিরুদ্ধে সেই আইন প্রয়োগ করা হয়েছে।
