চিলিতে করোনা রোগী ১০ লাখ ছাড়িয়েছে

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২১, ২১:০০

টিকাদানের গতি বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বেশি হলেও শনাক্ত রোগী ১০ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণের বিস্তার রোধ ও কোভিড-১৯-এর তুলনামূলক বেশি আক্রমণাত্মক ধরনগুলোর আগমন ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি দেশ জুড়ে লকডাউনের বিধিনিষেধ আরো কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিলি। রয়টার্স

সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির ফলে দক্ষিণ আমেরিকার এ দেশটির হাসপাতালগুলো এখন রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে। সরকারের ‘কৃষি তথ্য সার্ভিস’ ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, রাসায়নিক সার, বালাইনাশক, আগাছানাশক, হরমোন ইত্যাদি বাদ দিয়ে ফসলচক্র, সবুজ সার, কম্পোস্ট, জৈবিক বালাই দমন এবং যান্ত্রিক চাষাবাদ ব্যবহার করে শাকসবজি চাষই হলো জৈব সবজি উত্পাদন। অর্থাত্ এই পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় এবং কোনো রাসায়নিক বস্তু চাষ কাজে ব্যবহার করা হয় না। এতে ফসল দূষিত হওয়ার শঙ্কা থাকে না এবং নিরাপদ শাকসবজি উত্পাদন অনেকটা নিশ্চিত হয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শনাক্ত রোগীর উল্লম্ফনের কারণে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত মধ্যবয়সি ও তরুণদের জন্য দরজা বন্ধ হয়ে যেতে পারে- হাসপাতালগুলোর এমন সতর্কবার্তার পর চিলির সরকার করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় বহাল বিধিনিষেধ আরো কঠোর করার ঘোষণা দেয়।

ফাইজার ও সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন উত্পাদকদের সঙ্গে বিশ্বের যে দেশগুলো প্রথমেই চুক্তি করেছিল, চিলি ছিল তার একটি। লাতিনের এ দেশটির মোট জনগোষ্ঠীর ৩৫ শতাংশেরও বেশি এরই মধ্যে টিকা নিয়েও নিয়েছেন। জুলাইয়ের মধ্যে ‘হার্ড ইমিউনিটি’তে পৌঁছানোর লক্ষ্য ঠিক করলেও তার আগেই দেশটিতে মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার দেশটিতে নতুন ৭ হাজার ৪৩০ রোগী শনাক্ত হয়েছে, গত বছরের মার্চে প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে চিলিতে আর কখনোই ২৪ ঘণ্টায় এত রোগী পাওয়া যায়নি।