চট্টগ্রামে পুলিশ পিতার পিস্তল দিয়ে ছেলের আত্মহত্যা

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২১, ২২:৩২

চট্টগ্রামে পুলিশ পিতার পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক কিশোর। জামালপুরের মেলান্দহে পুত্রের ছোরার আঘাতে বাবা খুন হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজারের উখিয়ায় ছেলের দায়ের কোপে খুন হয়েছে সত্-মা। চট্টগ্রাম অফিস ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর।

চট্টগ্রাম অফিস :চট্টগ্রামে পুলিশ পিতার পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যা করেছে মাহিন নামে এক কিশোর। গতকাল শুক্রবার নগরীর আকবর শাহ থানার শাপলা আবাসিক এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ জানায়, মাহিনের পিতা নগরীর খুলশী থানায় এসআই পদে কর্মরত। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা না দেওয়ায় ছেলেকে বকা দেন তিনি। এরপর তিনি জুমার নামাজের জন্য মসজিদে গেলে পিতার পিস্তল দিয়ে নিজের বুকে গুলি করে মাহিন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত বলে জানিয়ে দেন। 

সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, বাবা-মা বকা দেওয়ায় ক্ষোভে বাবার পিস্তল দিয়ে মাহিন আত্মহত্যা করেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়।

মেলান্দহ (জামালপুর) :মেলান্দহে পুত্রের ছোরার আঘাতে ওয়াহাব আলী (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে চরবানি পাকুরিয়া ইউনিয়নের আটাবাড়ি গ্রামে। ঘটনার পর থেকে আহত ওয়াহাব আলীর প্রথম স্ত্রী নইলে বেগমসহ (৪৫) বাড়ির লোকজন গা ঢাকা দিয়েছে।

জানা গেছে, ৩১ মার্চ ওয়াহাব আলীর প্রথম স্ত্রী নইলে বেগমের (৫০) সঙ্গে ছেলে রিপনের (২৬) ঝগড়া হয়। তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে ছেলে রিপন তার মা নইলে বেগমকে মারপিট করে হাতের কবজি ভেঙে দেয়। খবর পেয়ে পরদিন ওয়াহাব আলী ঢাকা থেকে বাড়িতে যান। সেখানে দ্বিতীয় দফা তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে ওয়াহাবের ভাতিজা বাবলু (৫০) ও জামাতা শহিদুল ইসলাম (৩৫) ক্ষিপ্ত হয়ে ওয়াহাব আলীর মাথায় আঘাত করে। এ সময় ছেলে রিপন বাবার পেটে ছোরা মেরে জখম করেন। প্রতিবেশীরা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। গতকাল শুক্রবার হাসপাতালে ওয়াহাব আলীর মৃত্যু হয়।

ওয়াহাব আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী গোলাপী বেগম (৪৫) অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ডেকে এনে ওয়াহাব আলীকে হত্যা করা হয়েছে। গ্রাম্য মাতব্বররা ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা চালাচ্ছেন। মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ মায়নুল ইসলাম জানান, এখনো কেউ থানায় মামলা দেয়নি।

কক্সবাজার প্রতিনিধি ও উখিয়া সংবাদদাতা :উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা গ্রামে ছেলের দায়ের কোপে সত্-মা খুন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে উখিয়ার হরিণমারা গ্রামের আমিন পাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। আনোয়ারা বেগম উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা গ্রামের লম্বা হোসেনের স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে ঘাতক আলমগীর (২৫) পলাতক।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহমেদ সঞ্জুর মোরশেদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক আলমগীরকে আটকে অভিযান চলছে।