২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে দীর্ঘ একটি বছর বন্ধ রয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে করে আমরা শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যখন আগের গতি ফিরে পাবে, তখন এই গতানুগতিক শিক্ষাধারার পাশাপাশি আমাদের নতুন এক শিক্ষাব্যবস্থায় উপনীত হওয়া উচিত। এই নতুন শিক্ষাব্যবস্থা কেমন হবে? সাধারণত বাংলাদেশের একটি শ্রেণিকক্ষে ৯০ থেকে ১০০ জন শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক থাকেন। শিক্ষকের শিক্ষাদান পদ্ধতি সহজ করতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমাতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থায় তিনটি বিভাগ রয়েছে—বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা। শিক্ষার্থীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় ঐ তিনটি বিভাগেই পড়তে হয়। ফলে পড়ালেখায় আনন্দ থাকে না। শিক্ষাব্যবস্থা যদি এমন হয়—যেখানে শিক্ষার্থী যে বিষয়ে আগ্রহী সেই বিষয়েই পড়ালেখা করবে; তাহলে প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার প্রতিভা অনুযায়ী নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করতে পারবে। এতে দেশের বেকার সমস্যা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। এইরকম শিক্ষাব্যবস্থা যদি সত্যিই বাস্তবায়ন হয় তাহলে বাংলাদেশের শিক্ষার মান অনেক উন্নত হবে এবং আমরা শিক্ষার্থীরা সত্যি উপকৃত হবো।
সাদিয়া আফরোজ নুহা
নবম শ্রেণি, চরফ্যাশন সরকারি টি. ব্যরেট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভোলা
