এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববাসী করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত। মাস্ক ব্যবহার, ঘন ঘন হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম সীমিত করা, লকডাউন ইত্যাদির মাধ্যমে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার উপদেশ দেওয়া হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, ভাইরাসটির বাহক মানুষ এবং এই ভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের দ্বারাই অন্যরাও সংক্রমিত হচ্ছে। কাজেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি, তার পরিবার এবং ঐ ব্যক্তি যাদের সংস্পর্শে গিয়েছে, তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেই কেবল এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। অর্থাত্ সংক্রমণের উত্সকেই প্রথমে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আমাদের দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতদের বেশিরভাগই পরীক্ষা করতে না এসে বরং বাড়িতে থেকেই চিকিত্সা নিয়ে সুস্থ হচ্ছে। কিন্তু এই সংক্রমিত ব্যক্তিরা খুব সহজেই পরিবার ও সমাজের অন্যদের সংক্রমিত করছে। এ কারণেই দিন দিন সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে, মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। কাজেই সংক্রমিত ব্যক্তিরা যাতে সংক্রমণ ছড়াতে না পারে সেদিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আশা করি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
বিপ্লব বিশ্বাস
গোয়ালচামট, ফরিদপুর
