জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনকালে দেশে সহিংসতার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন—হঠাত্ করে ঐ ধরনের তাণ্ডব কেন, নিশ্চয় এর কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। যেই তাণ্ডব করে থাকুক, কাউকে বাদ দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছি। গতকাল রবিবার সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সোনারগাঁও উপজেলার একটি বেসরকারি হোটেলে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হক একজন মহিলাকে নিয়ে অবস্থান করছিলেন। টেলিভিশনে ঐ মহিলা কে তা নিজের মুখে স্বীকার করেছেন। তিনি তার স্ত্রী নন। এ বিষয়ে আরো ঘটনা জেনে সবাইকে জানাব। মন্ত্রী বলেন, ঐ ঘটনার পর দেখলাম ঐ রিসোর্টের ওপর আক্রমণ। কেন এই আক্রমণ আমার জানা নেই। সেখানে বিদেশি কয়েকজন ছিল। পুলিশ ও বিজিবি গিয়ে তাদের রক্ষা করেছেন।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর সময় হেফাজতের তাণ্ডব নিয়ে বিবৃতিতে আসাদুজ্জামান খান বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ভাঙচুর করেছে। আমাদের পুলিশ বিজিবি চরম ধৈর্য সহকারে সেগুলো মোকাবিলা করেছেন। আমরা চিহ্নিত করেছি। যারা এই কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল, আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করেছি। আমরা সবগুলোই আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সবরকমের ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা ২২ জনকে আটক করেছি। এরমধ্যে বিভিন্ন ছবি আমরা দেখেছি। একজন ঘোড়ায় চড়ে তলোয়ার নিয়ে হাঁটতেছেন। তাকে ধরা হয়েছে। আমরা একজনকে দেখেছি পিস্তল উঁচু করে ফায়ার করছেন। আমরা সবগুলোকে শনাক্ত করেছি এবং ধরছি। আমরা কাউকে বাদ দেব না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হঠাত্ করেই এরকম নিশ্চয় উদ্দেশ্য আছে। যারাই করে থাকেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সব প্রচেষ্টা নিয়েছি। ঘটনাগুলো সবগুলোই উদ্দেশ্য প্রণোদিত। স্বাধীনতাবিরোধী চক্র এক হয়ে এসব করে যাচ্ছে। তদন্ত করে উদ্ঘাটন করে মিডিয়ায় জানিয়ে দেব।
