স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নিয়েই শত শত প্রবাসীকে ব্যর্থ মনোরথে ফিরে যেতে হচ্ছে বিদেশে। ফলে একটি করে ডোজ নেওয়া এসব প্রবাসীর যেমন কোনো উপকার হচ্ছে না, তেমনি নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান ভ্যাকসিনও। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব প্রবাসীকে করোনার টিকা প্রদানের সময় প্রদত্ত স্লিপে লিখে দেওয়া হয় যে, চার সপ্তাহ পরে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করতে হবে। দিনক্ষণও সেখানে উল্লেখ করে দেওয়া হয়। সেই নির্ঘণ্ট ধরেই প্রবাসীরা বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। টিকিট কাটেন এবং বিদেশের কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। কিন্তু প্রথম ডোজ দেওয়ার পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কোনো কারণ ছাড়াই ঘোষণা দেয় যে, চার সপ্তাহ নয়, আট সপ্তাহ পরে দেওয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ। এতে করে হতাশ হয়ে পড়েন প্রথম ডোজ গ্রহণকারী প্রবাসীরা। কারণ প্রবাসে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের কোনো অবকাশ নেই। এ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ভিড় ও দেনদরবার করেও ব্যর্থ হচ্ছেন প্রবাসীরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. মীরজাদি সেবরিনা ফ্লোরা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আট সপ্তাহের এক দিন আগেও কাউকে দ্বিতীয় ডোজ দেব না। সে প্রবাসী হোক আর যে-ই হোক।’
