সমকালীন

অভিনন্দন

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২১, ২০:২২

 

২০১১ সালে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অর্থাত্ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার এক দশকের গোড়ায় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল পেল টেস্ট মর্যাদা। নিউজিল্যান্ড সিরিজে সব ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অপ্রত্যাশিত পারফরম্যান্সে ক্রিকেটপ্রেমীরা যখন চরম হতাশ, তখনই আইসিসি কর্তৃক নারী ক্রিকেট দলের টেস্ট মর্যাদাপ্রাপ্তির খবর আমাদের আনন্দিত করেছে। এই অনন্য অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গৌরবময় ক্রিকেট ইতিহাসে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের হালখাতা হলো। বাংলাদেশের নারীদের ঈর্ষণীয় অগ্রযাত্রার সাফল্যগাথায় এই অর্জন বিশেষ জায়গা দখল করবে। একইসঙ্গে এই প্রাপ্তি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব জন্মশতবর্ষ উদযাপনকে আরো সমৃদ্ধ করেছে। নারী ক্রিকেটকে দিয়েছে পূর্ণতা। অসাধারণ এই প্রাপ্তি নারী খেলোয়াড়দের আরো বেশি অনুপ্রাণিত ও নিবেদিত করবে বলেই আশা করি।

তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে অসাধারণ এই অর্জন নিশ্চিতভাবেই অনুপ্রেরণার শক্তিশালী উত্স হিসেবে কাজ করবে। এখন প্রয়োজন যথাযথ পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু তদারকি নিশ্চিত করা। ঘরোয়া ক্রিকেটের ভিত্তি মজবুত করতে পারলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হবে। সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এগিয়ে যাবে নারী ক্রিকেট। নাহলে স্বীকৃতি প্রাপ্তিতেই সীমাবদ্ধ হয়ে থাকবে অর্জনের পরিসংখ্যান।

নারী ক্রিকেট দলের টেস্ট ক্রিকেটের অভিজাত ক্লাবের সদস্য হওয়ার স্বীকৃতি জাতির জন্য গর্ব ও অহংকারের উপলক্ষ্য। যা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রের মতো ক্রিকেটেও নারীদের সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার গতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই এমন অর্জনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত সবাইকে বিশেষত নারী খেলোয়াড়দের আন্তরিক অভিনন্দন ও অফুরান শুভ কামনা।

আবু ফারুক