তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে রবিবার সন্ধ্যায় কালবৈশাখীতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষক শাহালম, আজম আলী ও ফারুক হোসেন বলেন, ধানের শিষ বেড় হয়েছে মাত্র। এখনো শিষগুলোর দুধ থেকে চাল হয়নি। শিষ পরিপক্ব হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময় ঝড়ো বাতাসে মিনিকেট জাতের সব ধান একেবারে লুটিয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় অধিকাংশ ধানের শিষ চিটা হয়ে যাবে। তাছাড়া পড়ে থাকা ধানের নিচের অংশের শিষগুলো পানিতে ডুবে ও ভ্যাপসা গরমে পচে যাবে। এসব কারণে প্রতি বিঘা জমিতে নিশ্চিত চার থেকে পাঁচ মণ ধান কম হবে। সরেজমিনে সোমবার সকালে দেখা যায়, উপজেলার আসানবাড়ী, বিনসাড়া, পেঙ্গুয়ারি ও কাজীপুর মৌজার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের মিনিকেট জাতের ধান লুটিয়ে পড়েছে। কোনো কোনো জমির ৩৬ জাতের ধানও অনেকটা হেলে রয়েছে।
এদিকে হোমনা (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, হোমনা উপজেলা দিয়ে রবিবার রাতে কালবৈশাখীতে ইরি-বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার শ্রীমদ্দি, লটিয়া, চরের গাঁ, ভাষানিয়া, আছাদপুর, হরিপুর, নিলখি, মাথাভাঙ্গা, দুলালপুর, রামকৃষ্ণপুর এলাকার অনেক জমির আধা-পাকা ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। এছাড়াও বাতাসে এসব এলাকার বিভিন্ন আম গাছের অনেক আমের গুটি ঝরে গেছে। উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের কৃষক শহিদ মিয়া জানান, বাতাসে তার দুই বিঘা জমির আধা-পাকা ইরি ধান মাটিতে পড়ে গেছে। এতে ফলন অনেক কমে যাবে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোতাহার হোসেন বলেন, ঝড়ে প্রায় ২০ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিলাবৃষ্টি হলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ত।
