বিজিএমইএ নির্বাচন
ইত্তেফাক রিপোর্ট
করোনা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে নানা অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোট ২ হাজার ৩১৪ জন ভোটারের মধ্যে প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও এই ভোটকে সংগঠনটির নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা সদস্যদের উত্সাহের বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন। নির্বাচন শেষে রবিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে জায়ান্ট গ্রুপের প্রধান ফারুক হাসানের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ প্যানেল বেশির ভাগ পরিচালক পদে জয়ী হয়েছে। মোট ৩৫ পরিচালক পদের মধ্যে যে প্যানেল বেশি পরিচালক পদ পেয়ে নির্বাচিত হবে, তারাই সভাপতিসহ সাত সহসভাপতির পরিচালনা পর্ষদ গঠন করবে। অর্থাত্ পরবর্তী দুই বছরের জন্য এই পরিষদই মূলত দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনে ফারুক হাসানের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ ২৪টি পরিচালক পদে বিজয়ী হয়েছে। আর এ বি এম সামছুদ্দিনের নেতৃত্বাধীন প্যানেল ১১ পদে জয়ী হয়েছে। অবশ্য ফোরাম প্যানেলের দলনেতা এ বি এম সামছুদ্দিন জয়ী হতে পারেননি।
মোট ৩৫ পরিচালক পদের মধ্যে ঢাকায় ২৬ জন ও চট্টগ্রামে ৯ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকায় ফারুক হাসান ছাড়াও সম্মিলিত পরিষদের বিজয়ী পরিচালকরা হলেন এস এম মান্নান কচি, আরশাদ জামাল দীপু, শহীদুল্লাহ আজিম, শেহরীন সালাম ঐশী, আসিফ আশরাফ, মহীউদ্দিন রুবেল, তানভীর আহমেদ, খসরু চৌধুরী, আব্দুল্লাহ হিল রাকিব, হারুন অর রশীদ, রাজীব চৌধুরী, মিরান আলী, খন্দকার রফিকুল ইসলাম, ইমরানুর রহমান, নাছির উদ্দিন ও সাজ্জাদুর রহমান মৃধা। ঢাকায় ফোরামের বিজয়ীরা হলেন বর্তমান সভাপতি ড. রুবানা হক, এম এ রহিম ফিরোজ, মাহমুদ হাসান খান বাবু, আসিফ ইব্রাহিম, ফয়সাল সামাদ, নাভিদুল হক, ভিদিয়া অমৃত খান, ইনামুল হক খান বাবলু ও মিজানুর রহমান।
চট্টগ্রামে সম্মিলিত পরিষদের বিজয়ীরা হলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তানভীর হাবিব, এ এম শফিউল করিম, মো. হাসান, এম আহসানুল হক, রকিবুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা। আর ফোরামের বিজয়ীরা হলেন এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও মোহাম্মদ আবদুস সালাম। আগামী ১৬ এপ্রিল ফারুক হাসানের নেতৃত্বাধীন কমিটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করবে। আর ২০ এপ্রিল পরবর্তী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তারা। ফারুক হাসান স্থলাভিষিক্ত হবেন ড. রুবানা হকের।
